A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নদী কভু পান…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ১৪তম অধ্যায় — জীবন ও বৃক্ষ🔢 সৃজনশীল নং ৮🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০১৮⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,

তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল।

গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,

কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।

স্বর্ণ করে নিজ রূপে অপরে শোভিত,

বংশী করে নিজ সুরে অপরে মোহিত।

শস্য জন্মাইয়া নাহি খায় জলধরে,

সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে বৃক্ষ যা অর্জন করে তা অপরের কল্যাণে দান করে।
উক্তিটির মধ্য দিয়ে বৃক্ষের জীবনচক্র তথা মানবকল্যাণে বৃক্ষের আত্মনিবেদন সম্পর্কে বলা হয়েছে। বৃক্ষের ফুল-ফলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠা তার প্রাপ্তি। বৃক্ষের এ প্রাপ্তি চোখের সামনে ছবির মতো ফুটে ওঠে। আবার বৃক্ষ তার এ প্রাপ্তি মানুষের কল্যাণে নিবেদন করে। সৃজনশীল মানুষের সাধনাও একই রকম। এ কারণেই বলা হয়েছে, "যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান।"

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সঙ্গে পরার্থে আত্মনিবেদনের দিক দিয়ে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ।
প্রকৃতি তার সমস্ত ঐশ্বর্য ও সৌন্দর্য দিয়ে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। প্রকৃতি নিঃস্বার্থভাবে মানবকল্যাণে নিবেদিত। প্রকৃত মনুষ্যত্বের অধিকারী মানুষ বৃক্ষের আদর্শে অনুপ্রাণিত। এ ধরনের মানুষ নিজের ভোগবিলাসের জন্য কিছু না রেখে মানবকল্যাণে আত্মনিবেদনের মাধ্যমেই জীবনের চরম সার্থকতা অনুভব করেন।

উদ্দীপকে প্রকৃতির অফুরন্ত দানের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথিবীতে নানা বস্তু নিজের অস্তিত্ব বিলীন করে মানবসেবায় নিজেকে ধন্য করে। নদী, গাছ, গাভী, কাঠ, স্বর্ণ, বাঁশি সবসময় অন্যের সেবায় আত্মনিয়োজিত থাকে। তদ্রূপ সাধু ব্যক্তি সব সময় অন্যের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। মূলত পরোপকারী ব্যক্তির একমাত্র ঐশ্বর্য কেবল অন্যের সেবায় আত্মনিবেদনে। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বৃক্ষ ফুল- ফলে পরিপূর্ণতা লাভ করে, তার সমস্তই অন্যকে দান করে সার্থকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। উদ্দীপক ও প্রবন্ধ উভয় ক্ষেত্রেই নিঃস্বার্থ মানবকল্যাণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের এই বিষয়টি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের পরার্থে আত্মনিবেদনের দিক দিয়ে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"উদ্দীপকের বক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্তসার।”- মন্তব্যটি যথার্থ।
প্রকৃতির সমস্ত সম্পদ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর মানুষ তা উপলব্ধি করতে পারে না। যাঁরা পরোপকারী, মানবকল্যাণকামী তাঁরা প্রকৃতির আদর্শে অনুপ্রাণিত। পরার্থে নিজ স্বার্থ নিবেদন করার মধ্য দিয়ে মানুষের কল্যাণকামী মানসিকতার বিকাশ ঘটে।
উদ্দীপকে পরোপকারী মনোভারের সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে নদী, তরু, গাভী কীভাবে তাদের দান দিয়ে মানবকল্যাণ সাধন করে, কাঠ কীভাবে নিজে পুড়ে অন্যের উপকার করে, স্বর্ণ কীভাবে অন্যকে শোভিত করে, বাঁশি কীভাবে অন্যকে মুগ্ধ করে সেই বিষয়ে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই নিঃস্বার্থ, ত্যাগী ও উপকারী মনোভাব 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের সাধনা, সফলতা ও নিঃস্বার্থ উপকারের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক মানবজীবনকে বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে,' বৃক্ষের বিকাশ, পরিপূর্ণতা লাভ ও আত্মদানে সার্থকতার পেছনে রয়েছে তার নীরব সাধনা। কারণ বৃক্ষ ফুলে-ফলে পরিপূর্ণতা লাভ করে অন্যকে তা দান করে সার্থকতায় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। মানুষকেও তেমনি সার্থক হয়ে উঠতে হবে মানবকল্যাণ সাধনের মাধ্যমে সার্থকতা লাভ করে। বৃক্ষের সাধনা মানুষের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মানবজীবনের সঙ্গে বৃক্ষের তুলনা করে মানবজীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কেমন হওয়া উচিত তা বলা হয়েছে। উদ্দীপকেও নিঃস্বার্থ পরোপকারী মনোভাব গঠনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সেখানে নদী, তরু, গাভী, স্বর্ণ, বাঁশি, শস্য, সাধু ব্যক্তি কীভাবে নিজেরা ভোগ না করে অন্যের কল্যাণে নিবেদিত তা দেখানো হয়েছে, যা 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের মূল কথার সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নদী কভু পান…’ ঢাকা বোর্ড ২০১৮ – জীবন ও বৃক্ষ, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”