A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘”নীল নবঘনে আষাঢ়…’ বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পদ্য🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — সোনার তরী🔢 সৃজনশীল নং ২৩🏢 প্রতিষ্ঠান বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

“নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।
বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝর
আউশের ক্ষেত জলে ভরভর,
কালি-মাখা মেঘে ওপারে আঁধার ঘনিয়েছে দেখ চাহি রে।”

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকে সংশ্লিষ্ট কবিতা তথা 'সোনার তরী' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হচ্ছে কবিতার মধ্যে উঠে আসা প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিচ্ছবি।
• মহাকালের চিরপ্রবহমান স্রোতে মানুষের ব্যক্তিসত্তা ও শারীরিকসত্তা। হারিয়ে গেলেও মহৎ কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষ অনন্তকাল বেঁচে থাকে পৃথিবীর মানুষের মনের মধ্যে।
• উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, আষাঢ়ের বর্ষায় আকাশে তিল মাত্র ঠাঁই নেই। অবিরাম বর্ষণের ফলে আউশেন খেত জলে ভরে উঠেছে। ওপারে ঘন কালো মেঘে আঁধার নেমে এসেছে। 'সোনার তরী' কবিতায় দেখা যায়, কবি তথা কৃষক চারপাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মধ্যে তার উৎপন্ন সোনার ফসল নিয়ে অপেক্ষারত। আকাশে ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে খরস্রোতা নদী হয়ে উঠেছে আরও হিংস্র। সেই শূন্য নদীর তীরে কৃষকের বেদনা গুমরে মরে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার প্রাকৃতিক পরিবেশের চিত্রটি প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

• উদ্দীপকে সংশ্লিষ্ট কবিতা তথা 'সোনার তরী' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হচ্ছে কবিতার মধ্যে উঠে আসা প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিচ্ছবি।
• মহাকালের চিরপ্রবহমান স্রোতে মানুষের ব্যক্তিসত্তা ও শারীরিকসত্তা। হারিয়ে গেলেও মহৎ কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষ অনন্তকাল বেঁচে থাকে পৃথিবীর মানুষের মনের মধ্যে।
• উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখা যায়, আষাঢ়ের বর্ষায় আকাশে তিল মাত্র ঠাঁই নেই। অবিরাম বর্ষণের ফলে আউশেন খেত জলে ভরে উঠেছে। ওপারে ঘন কালো মেঘে আঁধার নেমে এসেছে। 'সোনার তরী' কবিতায় দেখা যায়, কবি তথা কৃষক চারপাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মধ্যে তার উৎপন্ন সোনার ফসল নিয়ে অপেক্ষারত। আকাশে ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে খরস্রোতা নদী হয়ে উঠেছে আরও হিংস্র। সেই শূন্য নদীর তীরে কৃষকের বেদনা গুমরে মরে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার প্রাকৃতিক পরিবেশের চিত্রটি প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘”নীল নবঘনে আষাঢ়…’ বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – সোনার তরী, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”