| ㅤ | A. Nayan16 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের ছকটি লক্ষ…’ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ২০২৬ – সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৭
বেঙ্গল পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় ১৯৩৭ সালে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যানকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেই একই পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত এ পদ থেকে অপসারিত করা যায় না। রাষ্ট্রপতি এই সাংবিধানিক পদের অধিকারী ব্যক্তিকে কেবলমাত্র সংবিধান লঙ্ঘন কিংবা দায়িত্বে অবহেলার মতো গুরুতর প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা রাখেন।
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' ছকের মাধ্যমে যথাক্রমে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এই দুটি সাংবিধানিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে।
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন চেয়ারম্যান ও প্রয়োজনীয় সদস্য নিয়ে 'ক' সংস্থা বা সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। অন্যদিকে, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনার নিয়ে 'খ' সংস্থা বা নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
উদ্দীপকের বর্ণনা অনুসারে, 'ক' সংস্থাটি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করে। আবার 'খ' সংস্থাটি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচন পরিচালনা ও ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার দায়িত্ব পালন করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' (সরকারি কর্মকমিশন) ও 'খ' (নির্বাচন কমিশন) সংস্থা দুটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি কর্মকমিশন মেধার ভিত্তিতে যোগ্য, দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা বাছাই করে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলে। এটি স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনমত প্রতিফলিত করে এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে। এটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়তা করে।
সুতরাং বলা যায়, একটি সংস্থা দক্ষ প্রশাসন উপহার দেয় এবং অন্যটি গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করে, যা রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে অপরিহার্য। তাই সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান দুটির স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।