A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – কোষ রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — কোষ রসায়ন🔢 সৃজনশীল নং ২২🏢 প্রতিষ্ঠান আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ করো:

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যেসব কার্বহাইড্রেটে মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকে এবং ক্ষারীয় আয়নকে বিজারিত করতে পারে, তাদেরকে রিডিউসিং স্যুগার বা বিজারক শর্করা বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আলফা গ্লুকোজ ও বিটা গ্লুকোজের রিং স্ট্রাকচার। নিচে উল্লেখ করা হলো-

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-খ দ্বারা অ্যামাইনো এসিডকে নির্দেশ করে এবং অ্যামাইনো এসিডকে নির্দেশ করে এবং অ্যামাইনো এসিড দ্বারা গঠিত জৈব অণুটি হলো প্রোটিন। আধুনিক তথ্য অনুসারে ভৌত-রাসায়নিক গুণাবলি ও দ্রবণীয়তার ভিত্তিতে প্রোটিনকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ১. সরল প্রোটিন, ২. যুগ্ম প্রোটিন ও ৩. উৎপাদিত বা উদ্ভূত প্রোটিন। নিচে সরল প্রোটিনের শ্রেণিবিন্যাস উল্লেখ করা হলো- দ্রবণীয়তার উপর ভিত্তি করে সরল প্রোটিনকে ৭ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. অ্যালবিউমিন: এরা পানি ও লঘু লবণ দ্রবণে দ্রবণীয়। এসিড, ক্ষার ও তাপ দিলে জমাট বাঁধে। যেমন- গমের লিউকোসিন, বার্লির β-অ্যামাইলেজ।
২. গ্লোবিউলিন: এরা পানিতে প্রায় অদ্রবণীয় ও লঘু লবণ দ্রবণে দ্রবণীয়। তাপে জমাট বাঁধে। যেমন- দুধের ল্যাক্টোগ্লোবিন, মটরবীজে লেগুলিন।
৩. গ্লুটেলিন: এরা পানিতে অদ্রবণীয়। লঘু এসিড বা ক্ষার দ্রবণে দ্রবণীয়। যেমন- গমের গ্লুটেলিন ও চালের অরাইজেনিন।
৪. প্রোলামিন: এরা পানিতে অদ্রবণীয়, তবে 70-80% ইথাইন অ্যালকোহলে দ্রবণীয়। যেমন- ভুট্টার জেইন, গম ও রাইয়ের গ্লিয়াডিন।
৫. হিস্টোন: এ জাতীয় প্রোটিন পানি অথবা পাতলা ক্ষার বা অম্ল দ্রবণে দ্রবণীয়। এদের নিউক্লিয়াস ও নিউক্লিক এসিডের সাথে দেখা যায়।
৬. প্রোটামিন: এ ধরনের প্রোটিন পানিতে, লঘু এসিডে এবং অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইডে দ্রবণীয়। এদের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
৭. স্ক্লেরোপ্রোটিন: এরা পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু লঘু এসিড বা ক্ষারীয় দ্রবণে দ্রবণীয়। যেমন- চুল, নখ, ত্বকে কেরাটিন, চামড়ায় কোলাজেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-ক হলো গ্লুকোজ। যা একটি মনোস্যাকারাইড। একাধিক গ্লুকোজ অণু পলিমারাইজেশনের মাধ্যমে জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড গঠন করে। মানব জীবনে এই জটিল যৌগগুলোয় গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. জীবদেহে শক্তির প্রধান উৎস হলো শর্করা। শর্করা জারিত হয়ে যে শক্তি সরবরাহ করে তা বিপাকীয় কাজে ব্যবহৃত হয়।
২. বিভিন্ন শৈবাল ও উদ্ভিদদেহে স্টার্চ, ইনুলিন ইত্যাদি হিসেবে শর্করা সঞ্চিত থাকে।
৩. উদ্ভিদদেহের গাঠনিক উপাদান (শুষ্ক ওজনের ৫০ - ৮০%) হিসেবে উপস্থিত থাকে।
৪. সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, কাইটিন, পেকটিন ইত্যাদি পদার্থ কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
৫. প্রাণী, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া গ্লাইকোজেন নামক শর্করা সঞ্চয় করে।
৬. অ্যামিনো এসিড ও ফ্যাটি এসিড বিপাকে সাহায্য করে এবং শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে শর্করা থেকে প্রোটিন সৃষ্টি হয় ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়।
৭. RNA ও DNA-এর অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে রাইবোজ ও ডিঅক্সিরাইবোজ নামক শর্করা।
৮. প্রাণিদেহে হাড়ের সন্ধিস্থলে লুব্রিকেন্ট বা পিচ্ছিল পদার্থ হিসেবেও ভূমিকা পালন করে।
৯. ATP, ADP, GTP, NAD, NADP, FAD ইত্যাদির গুরুত্বপূর্ণ যৌগসমূহের গাঠনিক উপাদান হিসেবেও শর্করা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১০. সেলুলোজ জাতীয় শর্করা উদ্ভিদকে দৃঢ়তা ও সুরক্ষা দেয় এবং ভার বহন করে।
১১. মানুষের রক্ত গ্রুপের বিভিন্ন অ্যান্টিজেনগুলো কার্বোহাইড্রেট থেকে উৎপন্ন হয়।
১২. হেপারিন নামক পলিস্যাকারাইড রক্তে অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট ফ্যাক্টর হিসেবে থেকে রক্তনালিকায় রক্ত জমাট প্রতিরোধ করে। এজন্য রক্ত তরল থাকে।
১৩. কার্বোহাইড্রেট প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে গ্লাইকোপ্রোটিন তৈরি করে, যা এনজাইম, হরমোন, বাহক প্রোটিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – কোষ রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”