| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১
ম্যান্টল হল একপ্রকার খোলক বা আবরণী যা দ্বারা মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহ আবৃত থাকে।
দেহের তাপমাত্রা পরিবেশের সাথে ওঠা-নামা করে বল উভচর প্রাণীদেরকে এক্টোথার্মিক প্রাণী বলা হয়।
উভচর প্রাণী দের "শীতল রক্ত" বিশিষ্ট প্রাণী বলে অভিহিত করা হয় ।এরা নিজেদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম, তাই তাদের শরীরের তাপমাত্রা আশপাশে ওঠানামা করে বা পরিবর্তিত হয়। একারণে উভচর প্রাণীদের এক্টোথার্মিক প্রাণী বলা হয়।
উদাহরণ : ব্যাঙ,লাল স্যালামান্ডার।
উদ্দীপকের "A" চিহ্নিত প্রাণীটি হল একটি "ব্রাঙ্কিওস্টোমাটা" যা কর্ডাটা পর্বের প্রাণী।
ব্রাঙ্কিওস্টোমাটা সেফালোকর্ডাটা উপপর্বের কর্ডাটা পর্বের অধীন একটি প্রাণী। নিচে কর্ডাটা পর্বের সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো -
১. জীবনের যেকোনো দশা একটি স্থিতিস্থাপক নিরেট নটোকর্ড থাক। উন্নত প্রাণীদের পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এটি মেরুদন্ড দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয় তখন তাদের মেরুদন্ডী প্রাণী বলা হয়।
২. জীবনের যে কোন দশায় গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র উপস্থিত।
৩. গলবিল এর নিচে এন্ডোস্টাইল নামক অঙ্গ থাকে যা পূর্ণবয়স্ক মেরুদন্ডী প্রাণীদের পশ্চাৎ থাইরয়েড গ্রন্থিতে রূপান্তরিত হয়।
৪. রক্তসংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের এবং এদের সংবহনতন্ত্রে হেপাটিক পোর্টাল তন্ত্র বিদ্যমান ।
৫. হৃদপিণ্ড অঙ্কীয় দেশে অবস্থান করে।
৬. একটি পৃষ্ঠীয় ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ুরজ্জু পৌষ্টিক নালীর পৃষ্ঠদেশে প্রসারিত থাকে যা পরবর্তীতে পরিবর্তিত হয়ে সম্মুখ প্রান্তে মস্তিষ্ক ও পশ্চাতে সুষুম্নাকাণ্ড গঠন করে।
উপরে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো কর্ডেট প্রাণীদের মধ্যে বিদ্যমান।
: উদ্দীপকের "B" চিহ্নিত প্রাণীটি নেমাটোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত গোলকৃমি /কেঁচোকৃমি যাদের মধ্যে পোষক দেহে বসবাসের জন্য পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
নেমাটোডা বা নেমাথেলমিন্থেস গোলকৃমি বা সুতা কৃমি নামে পরিচিত। এরা সাধারনত অঙ্গতন্ত্র গঠন মাত্রার প্রাণী। নেমাটোডা অধিকাংশই বিভিন্ন জীবদেহে পরজীব। এ পরজীবী সদস্যরা মানু, গবাদিপশু ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। পোষক দেহে বসবাস অর্থাৎ পরজীবী হিসেবে নেমাটোডা সফল।
নিমাটোডদের দেহে প্রতিরক্ষামূলক কিউটিকল ফাকাল্টেটিভ ডায়াপজ এর উপস্থিতি রয়েছে। চরম পরিস্থিতিতে অস্তিত্বের জন্য জৈবরাসায়নিক অভিযোজন এবং প্রজনন কৌশল অবলম্বন করে। এদের দেহে কিউটিকলের একটি শক্ত আবরণ থাকে যা তাদের শরীরকে প্রসারিত হতে বাধা দেয়। গোলকৃমির (Ascaris limbricoides) মানুষের অন্ত্রে (ক্ষুদ্রান্তে) বসবাস করে । এদের স্পর্শের অনুভূতি আছ, ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে পুষ্টি পায় আলোচনা করতে পারে এবং সারা শরীর জুড়ে শ্বাস নিতে পারে। এদের পরিপাকতন্ত্র সম্পূর্ণ , এটি তাদের একই সময়ে খাবার খেতে, হজম করত, বর্জ্য দূর করতে সহায়তা করে। গোলকৃমি যৌনভাবে প্রজনন করতে পারে। এরা সাধারণত দুই বছর পর্যন্ত অন্ত্রের ভিতর বসবাস করতে পারে। এরা পোষক দেহের ক্ষতি সাধন করে ।
এভাবে কৃমি পোষক দেহে প্রবেশ করে এবং বসবাস করে ক্ষতিসাধন করে । পোষক দেহে বসবাসের জন্য এরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদেরকে পরিবর্তন করে। তাই উক্তিটি যথার্থ যে পোষকদেহ বসবাসের জন্য উদ্দীপকের "B" অর্থাৎ গোলকৃমির মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।