A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১৩তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর:🏫 বোর্ড: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড📅 সাল: ২০২৫⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- 

উত্তর:

জীবপ্রযুক্তি: কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অণুজীব) উদ্ভাবন বা সেই জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াই জীবপ্রযুক্তি।

উত্তর:

DNA ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান। DNA-ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, যা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়। এজন্য DNA কে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-'A' হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। নিম্নে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ধাপসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-

i. মাতৃ উদ্ভিদ নির্বাচন: উন্নত গুণসম্পন্ন স্বাস্থ্যবান এবং রোগমুক্ত উদ্ভিদকে এক্সপ্ল্যান্টের জন্য নির্বাচন করা হয়।

ii. আবাদ মাধ্যম তৈরি: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি, ভিটামিন, ফাইটোহরমোন, সুক্রোজ এবং প্রায় কঠিন মাধ্যম (semi solid medium) তৈরির জন্য জমাট বাঁধার উপাদান।

iii. জীবাণুমুক্ত আবাদ প্রতিষ্ঠা: আবাদ মাধ্যমকে কাচের পাত্রে (টেস্টটিউব বা কনিক্যাল ফ্লাস্ক) নিয়ে তুলা বা প্লাস্টিকের ঢাকনা দিয়ে মুখ বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে অটোক্লেভ(Autoclave) যন্ত্রে 121° সে. তাপমাত্রায় রেখে, 15 1b/sq. inch চাপে 20 মি. রেখে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এই পর্যায়ে আবাদে স্থাপিত টিস্যু বরাবর বিভাজনের মাধ্যমে সরাসরি অণুচারা (plantlets) তৈরি হয় বা ক্যালাস (callus) বা অবয়বহীন টিস্যুমণ্ডে পরিণত হয়। এই টিস্যুমণ্ড থেকে পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে একাধিক অণুচারা উৎপন্ন হয়।

iv. মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর: এ সমস্ত উৎপাদিত চারাগাছে যদি মূল উৎপন্ন না হয়, তবে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা লাভের পর বিটপগুলো বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া হয় এবং তাদেরকে পুনরায় মূল উৎপাদনকারী আবাদ মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।

v . প্রাকৃতিক পরিবেশ তথা মাঠ পর্যায়ে গ্রানান্তর: পূর্ণাঙ্গ চারাগুলো সজীব এবং সবল হয়ে উঠলে সেগুা সাকে এক পর্যায়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাটি গাগানোয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-B পদ্ধতিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট, DNA এযুক্তি। নিচে চিকিৎসাক্ষেত্রে রিকম্বিনেন্ট DNA পদ্ধতির অবদান মুল্য়য়ন করা হলো-
* জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে, ইস্ট নামক ছত্রাক থেকে হেপাটাইটিস বি-ভাইরাসের ওষুধ (ইন্টারফেরন) তৈরি হচ্ছে।

* মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিন ব্যবহার করে জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত E.coli ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট থেকে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হচ্ছে, যা মানুষের বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে। 

* জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত E.coli ব্যাকটেরিয়া এবং ইস্ট থেকে মানববৃদ্ধির হরমোন এবং গ্র্যানুলোসাইট ম্যাক্রোফাজ স্টিমুলেটিং ফ্যাক্টর (GM-CSF) বা কলোনি উদ্দীপক উপাদান ইত্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো যথাক্রমে অস্বাভাবিক খাটো হওয়া রোগ, ভাইরাসজনিত রোগ, ক্যান্সার, AIDS ইত্যাদির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।

উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায় যে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির অবদান - অনস্বীকার্য।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”