A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-

উত্তর:

পরাগরেণুর মাইটোটিক বিভাজনের ফলে একটি বড় কোষ এবং একটি ক্ষুদ্র কোষ সৃষ্টি হয়। এই বড় কোষটিকে নালিকোষ এবং ছোট কোষটিকে জেনারেটিভ কোষ বলে।

উত্তর:

মানব দেহের ত্বক ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু। এর কারণ হলো-স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ভিত্তি পর্দার উপর একাধিক স্তরে সজ্জিত থাকে। এমন স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যুও আছে, যার স্তরের সংখ্যা মিনিটের মধ্যে পাল্টে যেতে পারে। কখনো দেখা যায় তিন-চারটি স্তর, আবার পরক্ষণেই দেখা যায় সাত-আটটি স্তর। এ কারণে মানবদেহের ত্বক হলো ট্রানজিশনাল আবরণী টিস্যু।

উত্তর:

উদ্দীপকের A চিহ্নিত টিস্যু হলা কোলেনকাইমা। এ টিস্যু পাত্বার শিরা এবং পত্রবৃন্তে দেখা যায়। নিচে কোলেনকাইমা টিস্যুর চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-
কোলেনকাইমা টিস্যু বিশেষ ধরনের প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে তৈরি হয়। কোষপ্রাচীর সেলুলোজ এবং পেকটিন জমা হয়ে পুরু হয়। তবে এদের কোষপ্রাচীর অসমভাবে পুরু এবং কোণাগুলো অধিক পুরু হয়। এ টিস্যুর কোষগুলো লম্বাটে ও সজীব। এরা প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ কোষ দিয়ে তৈরি হয়। এতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকতে পারে।

কোষপ্রান্ত চৌকোনাকার, সরু বা তির্যক হতে পারে। খাদ্য প্রস্তুত এবং উদ্ভিদদেহকে দৃঢ়তা প্রদান করা এদের প্রধান কাজ। পাতার শিরা এবং পত্রবৃন্তে এদের দেখা যায়। কচি ও নমনীয় কাণ্ড, যেমন কুমড়া ও দন্ডকলসের কান্ডে এ টিস্যু দৃঢ়তা প্রদান করে। এ কোষে যখন ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে, তখন এরা খাদ্য প্রস্তুত করে।

উত্তর:

উল্লিখিত চিত্রের B ও C চিহ্নিত অংশ দ্বারা ফল ও বীজকে চিহ্নিত হয়েছে। নিষেকের মাধ্যমে ফুলের গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয় এবং ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। নিচে নিষেক প্রক্রিয়ার তাৎপর্য যুক্তিসহ মূল্যায়ন করা হলো-
নিষেকের সময় ডিম্বাণু ও পুংগ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে প্রোটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসের সংযুক্তি ঘটে যার ফলে প্রজাতিতে জিনের সংমিশ্রণ ঘটে এবং প্রকরণ সৃষ্টি করে। এ প্রকরণ বিবর্তনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকরণ সৃষ্টির ফলে জীবের জীবনীশক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং নতুন নতুন পরিবেশে অভিযোজন ক্ষমতাও বাড়ে। নিষেকের পর গর্ভাশয় ফলে এবং গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। উদ্ভিদের যৌন জনন বীজ তৈরির মাধ্যমে ঘটে থাকে। এই বীজ থেকে সৃষ্টি হয় নতুন উদ্ভিদ যা তার প্রজাতিকে রক্ষা করে। বীজের সৃষ্টি না হলে অধিকাংশ পুষ্পক উদ্ভিদই বিলুপ্ত হয়ে যেত। আমরা আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেঁপে, ধান, গম, বার্লি, ভুট্টা ইত্যাদি যা খেয়ে থাকি তা সবই নিষেক ক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয়। ফলের পাশাপাশি বীজও প্রাণিকুলের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং উদ্ভিদের ফল এবং বীজের উপরই খাদ্যের জন্য প্রাণিকুল, বিশেষ করে মানুষ সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল। আবার নিষেক প্রক্রিয়া না ঘটলে উদ্ভিদসমূহ হ্যাপ্লয়েড অবস্থা হতে পুনরায় ডিপ্লয়েড অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না। কাজেই নিষেক প্রক্রিয়ার তাৎপর্য অপরিসীম।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৪ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”