A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা কলেজ ২০২৬ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — উদ্ভিদ প্রজনন🔢 সৃজনশীল নং ১৫🏢 প্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ করো :

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

লাইকেন-এর দেহে বসবাসকারী ছত্রাকের অংশবিশেষকে মাইকোবায়োন্ট বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বিজ্ঞানী Emil Fischer ১৮৯৪ সালে এনজাইমের বিক্রিয়াকে সহজভাবে উপস্থাপনের জন্য তালা-চাবি মতবাদ প্রদান করেন। Fischer-এর মতে-
১. একটি তালা যেমন একটি নির্দিষ্ট চাবি ছাড়া খোলে না, তেমনি একটি নির্দিষ্ট এনজাইম একটি নির্দিষ্ট সাবস্ট্রেট ছাড়া অন্য সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে না।
২. এনজাইমের এক বা একাধিক সক্রিয় স্থান থাকে। সাবস্ট্রেট অণু এনজাইমের সক্রিয় স্থানে যুক্ত হয়ে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ গঠন করে।
৩. পরে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ ভেঙে নতুন বিক্রিয়ালব্ধ পদার্থ সৃষ্টি হয় এবং এনজাইম অপরিবর্তিতভাবে পৃথক হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' চিত্রে নির্দেশিত প্রক্রিয়াটি হলো পুংগ্যামেট সৃষ্টির প্রক্রিয়া। নিচে পুংগ্যামেটোফাইট অর্থাৎ পুংগ্যামেট সৃষ্টির প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো-

পরাগরেণু হলো পুংগ্যামেটোফাইটের প্রথম কোষ। পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস । পরাগায়নের মাধ্যমে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় অঙ্কুরিত হয় অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে নালিকার আকারে বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বা পরাগনালিকা বলে। পরাগনালিকার ভেতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে অন্য নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে ভেতরে ডিম্বক পর্যন্ত পৌঁছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র-B হলো স্ত্রীস্তবক তথা স্ত্রী-গ্যামেটোফাইট। স্ত্রীস্তবক নিষেকোত্তর পরিবর্তনের মাধ্যমে ফল ও বীজের উৎপত্তি ঘটে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

স্ত্রীস্তবকের অভ্যন্তরে থাকে ডিম্বক। ডিম্বকের ভেতর বিভিন্ন ধারাবাহিক ধাপের মাধ্যমে স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু তৈরি হয়। নিষেক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, স্ত্রীগ্যামেটের সাথে পুংগ্যামেটের মিলন ঘটে এবং গ্যামেট দুটির প্রোটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াসের সংযুক্তি ঘটে। কাজেই নিষেক ক্রিয়ার ফলে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে একটি ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি হয়। এই জাইগোট থেকে ভূণের সৃষ্টি হয়। নিষেকের ফলে পুষ্পের গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরে ডিম্বকগুলো বীজে পরিণত হয় এবং গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়। কাজেই দেখা যায়, গর্ভযন্ত্রে অবস্থিত নিশ্চল ডিম্বাণুর সাথে সচল শুক্রাণুর মিলনে যে নিষেক ঘটে তার ফলেই বীজ এবং ফলের সৃষ্টি হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে। তাই বলা যায়, নিষেকক্রিয়া সংঘটিত না হলে ফল ও বীজ সৃষ্টি হতো না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ঢাকা কলেজ ২০২৬ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”