A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-

উত্তর:

জাইলেমে অবস্থিত স্ক্লেরেনকাইমা কোষই হলো জাইলেম ফাইবার বা উড ফাইবার।

উত্তর:

যেসব গ্রন্থি নালিবিহীন, ক্ষরণ সরাসরি রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে বাহিত হয়ে দূরবর্তী সুনির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়, সেসব গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। এসব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। যেমন- পিটুইটারি গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি ইত্যাদি।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-P অঙ্গাণুটি হলো প্লাস্টিড। প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। উদ্ভিদে সাধারণত তিন রকমের প্লাস্টিড দেখা যায়, যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। এই তিন রকমের প্লাস্টিড' এর কারণেই উদ্ভিদ বর্ণময় ও আকর্ষণীয় হয় এবং খাদ্য সঞ্চয় করে। নিচে খাদ্য সঞ্চয় ও বর্ণময় করে তুলতে প্লাস্টিডের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হলো-
খাদ্য সঞ্চয়: উদ্ভিদে খাদ্য সঞ্চয় করে থাকে লিউকোপ্লাস্ট। যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌছায় না, যেমন- মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি সেখানে এদের পাওয়া যায়। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 
বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে তোলা: ক্রোমোপ্লাস্টের কারণে উদ্ভিদ বর্ণময় হয়। এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'Q' দ্বারা নিউক্লিয়াসকে বুঝানো হয়েছে। নিউক্লিয়াস জীবকোষের সকল ক্রিয়া বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
নিউক্লিয়াস জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। এটি কোষে সংঘটিত বিপাকীয় কার্যাবলিসহ সকল ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য নিউক্লিয়াসকে সকল কাজের নিয়ন্ত্রক বলা হয়। নিউক্লিয়াসের চারদিকে বিদ্যমান নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের অন্যান্য বস্তুকে পৃথক রাখে ও বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে। এগুলো কোষের বিভিন্ন জৈবনিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এছাড়া নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে গোলাকার নিউক্লিওলাস ক্রোমোজোমের সাথে লেগে থাকে। এরা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এরা নিউক্লিক এসিড মজুদ করে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। নিউক্লিয়াসে কুণ্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার মতো ক্রোমাটিন জালিকা থাকে। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় তখন এদের আলাদা আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়। এ ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে নিয়ে যায়। অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে উপস্থিত ক্রোমোজোমই পুরুষানুক্রমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, এ থেকে বুঝা যায় যে, নিউক্লিয়াস কোষের সব জৈবনিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণকরী অঙ্গাণু।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”