A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৯৯🏢 প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িং এর মধ্যবক্ষীয় ডানা অর্থাৎ সামনের দুইটি ডানা যা বেশ শক্ত, ছোট, সরু কখনো উড়তে সাহায্য করে না এবং পিছনের দুই ডানাকে ঢেকে রাখে তাকেই বলা হয় এলিট্রা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ঘাসফড়িং-এর রক্ত বর্ণহীন প্লাজমা এবং এর মধ্যে ভাসমান অসংখ্য বর্ণহীন রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত, তাই ঘাসফড়িং এর রক্তকে হিমোলিম্ফ বলা হয়। হিমোগ্লোবিন বা অন্য কোনো ধরনের শ্বাসরঞ্জক না থাকায় হিমোলিম্ফ বর্ণহীন। শ্বসনে তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র দ্বারা ঘাসফড়িংকে বুঝানো হয়েছে এবং এর Z চিহ্নিত অঙ্গটি হলো ম্যালপিজিয়ান নালিকা। নিচে ম্যালপিজিয়ান নালিকার মাধ্যমে রেচন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো-

ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ মালপিজিয়ান নালিকা। আমিষ জাতীয় খাদ্য বিপাকে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন প্রক্রিয়াকে রেচন বলে। মালপিজিয়ান নালিকা ছাড়াও কিছু মেদপুঞ্জের কিছু কোষ এবং কাইটিন অতিরিক্ত রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। পৌষ্টিকনালির মধ্যান্ত্র ও পশ্চাদযন্ত্রের সংযোগস্থলে অসংখ্য সুতার মতো মালপিজিয়ান নালিকা হিমোসিলে বিস্তৃত থাকে। এই নালিকার গোড়ার অংশ নিঃসরণ বা ক্ষরণের জন্য এবং প্রান্তীয় অংশ শোষণের জন্য অভিযোজিত। এ নালিকার বদ্ধ প্রান্তীয় অংশ দ্বারা হিমোসিলের হিমোলিম্ফ থেকে পটাসিয়াম ইউরেট, পানি ও CO2 শোষিত হয়। নালিকার অভ্যন্তরে এগুলো পরিবর্তিত হয়ে পটাসিয়াম বাই কার্বনেট ও ইউরিক এসিডে পরিণত হয়। নালিকার গোড়ার অংশ দ্বারা পটাসিয়াম বাই কার্বনেট ও কিছু পানি পুনঃশোষিত' হয়ে হিমোলিম্ফে ফিরে আসে। রেচন বর্জ্যরূপে ইউরিক এসিড পানির সাথে পৌষ্টিকনালির গহ্বরে প্রবেশ করে। পশ্চাৎ অন্ত্রের মলাশয়ে অধিকাংশ পানি পুনঃশোষিত হয় এবং প্রায় শক্ত ইউরিক এসিড মলের সাথে দেহ হতে নিষ্কাশিত হয়। এভাবে ঘাসফড়িংয়ে রেচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের X চিত্রের ক্রমটি পূর্ণ করলে যে ক্রমটি পাওয়া যায় তা হলো- ডিম→নিম্ফ→ইমাগো যা ঘাসফড়িংয়ের অসম্পূর্ণ রূপান্তরকে নির্দেশ করে। নিচে রেখাচিত্রটি বিশ্লেষণ করা হলো-

ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ড়ানা ও জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”