A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১০ম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ২৭🏢 স্কুল/কলেজ: ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র দুটি  লক্ষ করো-

 

উত্তর:

কেকোষীয় শ্বসন হলো একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া যেখানে জীবন্ত কোষ গ্লুকোজের মতো খাদ্য অণু ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে, যা ATP হিসেবে সঞ্চিত হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়।

উত্তর:

স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের মধ্যে তুলনা নিচে দেওয়া হলো-

 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-B তে প্রদত্ত অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। নিচে নিউক্লিয়াসের গঠন - ব্যাখ্যা করা হলো-

১. নিউক্লিয়ার ঝিল্লি: নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে যে ঝিল্লি, তাকে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বা কেন্দ্রিকা ঝিল্লি বলে। এটি দুই স্তর বিশিষ্ট।  এই ঝিল্লি লিপিড ও প্রোটিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এই ঝিল্লিতে মাঝে মাঝে কিছু ছিদ্র থাকে, যেগুলোকে নিউক্লিয়ার রন্দ্র বলে।

২.নিউক্লিওপ্লাজম: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির ভিতরে জেলির মতো বস্তু বা রস থাকে। একে কেন্দ্রিকারস বা নিউক্লিওপ্লাজম বলে। নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে।

৩. নিউক্লিওলাস: নিউক্লিওপ্লাজমের মধ্যে ক্রোমোজোমের সাথে সংলগ্ন গোলাকার বস্তুকে নিউক্লিওলাস বা কেন্দ্রিকাণু বলে। ক্রোমোজোমের রং অগ্রাহী অংশের সাথে এরা লেগে থাকে। এরা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

৪. ক্রোমাটিন জালিকা: কোষের বিশ্রামকালে অর্থাৎ যখন কোষ বিভাজন চলে না, তখন নিউক্লিয়াসের মধ্যে সুতার মতো জিনিস জট পাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। জট পাকিয়ে থাকা এই ক্রোমাটিন তত্ত্বগুলোকে একসাথে ক্রোমাটিন জালিকা বা নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম বলে। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় বলে তখন তাদের আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়। ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে নিয়ে যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-A হলো ক্লোরোপ্লাস্ট এবং চিত্র-B হলো
নিউক্লিয়াস। ক্লোরোপ্লাস্ট এবং নিউক্লিয়াস বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান দ্বারা গঠিত। নিচে ক্লোরোপ্লাস্ট ও নিউক্লিয়াসের উপাদানগুলোর গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো-

ক্লোরোপ্লাস্ট: প্লাস্টিড তিন প্রকার। যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। এর মধ্যে ক্লোরোপ্লাস্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্লোরোপ্লাস্টের বাইরের দিকে 'দ্বিস্তরী ঝিল্লি থাকে, যা ক্লোরোপ্লাস্টকে সুরক্ষা দেয়, ভিতরের ও বাইরের পরিবেশ আলাদা রাখে। ক্লোরোপ্লাস্টের অভ্যন্তরস্থ স্ট্রোমা বা ম্যাট্রিক্সে এনজাইম, DNA, RNA, রাইবোজোম থাকে এবং ক্যালভিন চক্র বা অন্ধকার বিক্রিয়া এখানে ঘটে থাকে। ক্লোরোপ্লাস্টে থলির মতো অঙ্গাণু দেখা যায় যার - নাম থাইলাকয়েড। থাইলাকয়েডে আলোক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় এবং ক্লোরোফিল ধারণ করে। এছাড়া অনেকগুলো থাইলাকয়েড একটির উপর আরেকটি সজ্জিত হয়ে স্তূপের মতো গঠন তৈরি করে থাকে গ্রানাম চক্র বলে। গ্রানাম চক্রের পৃষ্ঠতল বেশি থাকায় আলো শোষণ বেশি হয়। এছাড়া প্লাস্টিড আলোকশক্তি ধারণ করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা (গ্লুকোজ) জাতীয় খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।

নিউক্লিয়াস: নিউক্লিয়াস জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। নিউক্লিয়াসের চারদিকে বিদ্যমান নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের অন্যান্য বস্তুকে পৃথক রাখে ও বিভিন্ন বস্তুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে। এগুলো কোষের বিভিন্ন জৈবনিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এছাড়া নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে গোলাকার নিউক্লিওলাস ক্রোমোজোমের সাথে লেগে থাকে। এরা নিউক্লিক এসিড মজুদ করে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। নিউক্লিয়াসে কণ্ডলী পাকানো সূক্ষ্ম সুতার মতো ক্রোমাটিন জালিকা থাকে। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় তখন এদের আলাদা আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়। এ ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে নিয়ে যায়। অর্থাৎ নিউক্লিয়াসে উপস্থিত ক্রোমোজোমই পুরুষানুক্রমে বংশগতীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।

2 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবে প্রজনন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”