নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর-
কোষ্ঠকাঠিন্য: যখন কারো শক্ত পায়খানা হয় অথবা দুই বা তারও বেশি দিন পায়খানা হয় না এ অবস্থাকে বলা হয় কোষ্ঠকাঠিন্য। উল্লেখ্য, এটি কোনো বিশেষ ধরনের রোগ নয়।
খিচুড়ি অধিকতর পুষ্টিকর কারণ এতে চাল ও ডাল একসঙ্গে থাকায় তা সম্পূর্ণ প্রোটিন সরবরাহ করে। এতে কার্বোহাইড্রেট, আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ একসাথে পাওয়া যায়। এটি সহজপাচ্য ও সব বয়সীদের জন্য উপযোগী। স্বল্পমূল্যে সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করে বলে এটি পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।
উদ্দীপক হতে পাই,
'A' ব্যক্তির উচ্চতা = ১.৬ মি.
এবং ওজন = ৭০ কেজি
আমরা জানি,
সুতরাং 'A' ব্যক্তির BMI ২৭.৩৪ কেজি/ (মিটার) (প্রায়) ।
সুস্বাস্থ্যের জন্য মানব শারীরের সঠিক মানের BMI থাকা দরকার। সুস্বাস্থ্যের জন্য BMI এর আদর্শ মান হচ্ছে ১৮.৫-২৪.৯। 'A' ব্যক্তির বিএমআই হলো ২৭.৩৪ কেজি/ (মিটার)২ (প্রায়) যা শরীরের জন্য অতিরিক্ত ওজন। তাই 'A' ব্যক্তির ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন।
উদ্দীপকের চিত্র B এর Y অংশ হলো ক্ষুদ্রান্ত্র এবং X অংশের নাম হলো অগ্ন্যাশয়। 'X' চিহ্নিত অংশ অর্থাৎ অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে 'Y' অংশ অর্থাৎ ক্ষুদ্রান্ত্রের কাজ বাধাগ্রস্থ হবে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
পাকস্থলী থেকে পাকমণ্ড ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে প্রবেশ করে। এ সময় অগ্ন্যাশয় থেকে একটি ক্ষারীয় পাচকরস ডিওডেনামে আসে। এই পাচকরস খাদ্যমণ্ডের অম্লভাব প্রশমিত করে। পাচকরসের এনজাইম দিয়ে শর্করা এবং আমিষ পরিপাকের কাজ চলতে থাকে এবং স্নেহপদার্থের পরিপাক শুরু হয়।
অগ্ন্যাশয় রসে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও ট্রিপসিন নামক এনজাইম থাকে। আন্ত্রিক রসে আন্ত্রিক অ্যামাইলেজ, লাইপেজ, মলটেজ, ল্যাকটেজ ও সুক্রেজ ইত্যাদি এনজাইম থাকে। আংশিক পরিপাককৃত আমিষ ক্ষুদ্রান্ত্রে-ট্রিপসিনের সাহায্যে ভেঙে 'অ্যামাইনো এসিড এবং সরল পেপটাইডে পরিণত হয়।
ক্ষুদ্রান্ত্রে সব ধরনের খাদ্যই সম্পূর্ণভাবে নির্দিষ্ট এনজাইমের ক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে সরল, শোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানে পরিবর্তিত হয়।
সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হলে ক্ষুদ্রান্ত্রে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য পরিপাক বাধাগ্রস্ত হবে।
