| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ রংপুর ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – উদ্ভিদ প্রজনন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ করো :
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১০
উদ্ভিদের যেকোনো বিভাজনক্ষম সজীব কোষ বা টিস্যু থেকে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ তৈরি হওয়ার ক্ষমতাই হচ্ছে ট্রটিপটেন্সি।
ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যৌন ও অযৌন চক্র পারস্পরিকভাবে জড়িত। আবার, এ চক্র দুটি একটি পোষকদেহে সম্পন্ন হয় না। পরজীবীটি মশকীয় দেহে যৌন জনন এবং মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। সুতরাং, পরজীবীটির পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্যই দুটি পোষক প্রয়োজন।
উদ্দীপকের Q হলো পরাগরেণু। পরাগরেণু বিকশিত হয়ে পুংগ্যামেটোফাইট বা শুক্রাণু উৎপন্ন করে। নিচে এ প্রক্রিয়াটি দেখানো হলো-
পরাগরেণু হলো পুংগ্যামেটোফাইটের প্রথম কোষ। পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস । পরাগায়নের মাধ্যমে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুন্ডে পতিত হয় অঙ্কুরিত হয় অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে নালিকার আকারে বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বা পরাগনালিকা বলে। পরাগনালিকার ভেতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে অন্য নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে ভেতরে ডিম্বক পর্যন্ত পৌঁছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে।
হ্যাঁ, কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে ফুল-X এর নতুন একটি জাত তৈরি করা সম্ভব। উদ্দীপকে দেখানো প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ কৃত্রিম সংকরায়ন যেভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে অবদান রাখছে তা নিচে বর্ণনা করা হলো-
কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবন করেছে ইরি-৮ ধান। এর ফলে কৃষক একর প্রতি ফলন পায় ৯০ – ১০০ মণ। বর্তমানে কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে রোগ প্রতিরোধী জাত। যেমন- ধানের ক্ষেত্রে BRRI উদ্ভাবিত জাত BR10 (মুক্তা), BR 14 (গাজী), BR-15 (মোহিনী), BR 16 (শাহী বালাম) ইত্যাদি। কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল জাত। যেমন- নেরিকা ধান খরা সহিষ্ণু, BRRI dhan 51 বন্যাসহিষ্ণু, BRRI dhan 53 লবণ সহিষ্ণু, BRRI dhan 36 শীত সহিষ্ণু BR8, BR9 শিলা সহিষ্ণু জাত । 1 তাই বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলে বন্যা সহিষ্ণু জাত, উত্তরাঞ্চলে খরা সহিষ্ণু জাত, দক্ষিণাঞ্চলে লবণসহিষ্ণু জাত ব্যবহার করে কৃষক কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে পারে। কৃষকের জন্য অভিশাপ মঙ্গা প্রতিরোধ সম্ভব হয়েছে BRRI dhan 48 উদ্ভাবনের ফলে। কারণ এটিতে অন্যান্য জাতের আগেই ফলন আসে, অর্থাৎ ঘরের খাবার ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কৃষক নতুন ফলন পায় । কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বীজহীন কলা, আঙুর, লেবু, আপেল, তরমুজ ইত্যাদি ফল। যার কারণে কৃষক বর্তমান বাজার চাহিদা মেটানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত স্বাবলম্বী হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রায় সকল মানুষ খাদ্যের জন্য ধানের উপর নির্ভরশীল । কৃত্রিম হাইব্রিডাইজেশনের সফল প্রয়োগের ফলে ধানের মোট উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।