A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১১তম অধ্যায় — জীবপ্রযুক্তি🔢 সৃজনশীল নং ৬৬🏢 প্রতিষ্ঠান সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ করো-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইন্টারফেরন হলো এক ধরনের উচ্চ আণবিক ওজন সম্পন্ন প্রোটিন যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও ভাইরাসের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয়। এক কথায় এটি হলো- প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আমরা জানি অসংখ্য নিউক্লিওটাইড বিভিন্ন বিন্যাসে সজ্জিত হয়ে DNA অণু গঠন করে। DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে সজ্জিত থাকে তাহলো জিনোম সিকোয়েন্স। আর এ সিকোয়েন্সটি (সাজানী পদ্ধতিটি) উদঘাটন করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। লম্বা DNA অণুটি একসাথে সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয় না। তাই DNA অণুকে উপযুক্ত দূরত্বে কেটে নেওয়া হয় এবং খণ্ডগুলোর সিকোয়েন্সিং করে একসাথে মিলিয়ে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের সিকোয়েন্সিং উপস্থাপন করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-"A" প্রক্রিয়া দ্বারা টিস্যু কালচার এবং চিত্র-B প্রক্রিয়া দ্বারা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে বুঝানো হয়েছে। নিচে টিস্যু কালচার এবং রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলো- 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র-"B" দ্বারা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA পদ্ধতিকে বুঝানো হয়েছে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগের ঔষধ ইনসুলিন তৈরি করা যায়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১. প্রথমে E.coli থেকে নির্দিষ্ট প্লাসমিড আলাদা করে নেওয়া হয় এবং মানুষের অগ্ন্যাশয় কোষ থেকে DNA পৃথক করা হয়।

২. নির্দিষ্ট রেস্ট্রিকশন এনজাইম দ্বারা মানুষের DNA থেকে ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিন পৃথক করে নেয়া হয় এবং ঐ মাপে প্লাসমিডের নির্দিষ্ট স্থান কাটা হয়।

৩. প্লাসমিডের কর্তিত স্থানে ইনসুলিন জিন DNA লাইগেজ এনজাইম দ্বারা সংযুক্ত করে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করা হয়।

৪. রিকম্বিনেন্ট DNA-তে জিনের সিকোয়েন্স সঠিক আছে কিনা PCR ও সিকোয়েন্সারের মাধ্যমে তা পরীক্ষা করা হয়।

৫. এরপর রিকম্বিনেন্ট DNA অণুকে পৃথক পোষক ব্যাকটেরিয়ামের (E.coli) দেহে ট্রান্সফরমেশন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করানো হয়, ফলে GM E.coli (Genetic modified E.coli) তৈরি হয়। হিট শক মেথড অথবা ইলেকট্রিক পালস মেথডে ট্রান্সফরমেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়।

৬. GM E.coli কে উপযুক্ত কালচার মিডিয়ামযুক্ত ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্ক। বা ফার্মেন্টারে প্রবেশ করিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। অল্প

৭. অতঃপর ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্ক-এর কালচার মিডিয়াম থেকে ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করে তা থেকে ইনসুলিন আহরণ করা হয়।

৮. এভাবে আহরিত ইনসুলিন বিশুদ্ধ নয়, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব কিছু প্রোটিন থাকতে পারে। তাই আহরিত ইনসুলিনকে পরে বিশুদ্ধ করে এম্পুলে ভরে বাজারজাত করা হয়।

সময়েই ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্কে লক্ষ লক্ষ GM E.coli সৃষ্টি হয় এবং সাথে প্রতি কোষে উৎপাদিত ইনসুলিন জমা হতে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র দুটি…’ সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”