A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র তিনটি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্র তিনটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও :

উত্তর:

কোষের শোষণ তল বাড়ানোর জন্য কোষঝিল্লির আঙুলের মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রবর্ধনকে মাইক্রোভিলাই বলে।

উত্তর:

সাধারণত উদ্ভিদের মূলে আলো না পৌঁছানোর কারণে সেখানে বর্ণহীন লিউকোপ্লাস্ট থাকে। তবে গাজরের মূল উদ্ভিদের খাদ্য সঞ্চয় করার পাশাপাশি বিশেষ এক ধরণের রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্ট ধারণ করে। গাজরের মূলে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন নামের ক্রোমোপ্লাস্ট বা রঙিন প্লাস্টিড জমা থাকে। এই ক্যারোটিন রঞ্জকের উপস্থিতির কারণেই গাজরের মূল বর্ণহীন না হয়ে রঙিন দেখায়।

উত্তর:

উদ্দীপকে N চিহ্নিত অঙ্গাণুটি হলো নিউক্লিয়াস। এটি কোষের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে কোষের প্রধান কেন্দ্র বলা হয়। নিউক্লিয়াসের গঠন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

১.নিউক্লিয়ার ঝিল্লি: নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে যে ঝিল্লি, তাকে। নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বা কেন্দ্রিকা ঝিল্লি বলে। এটি দুই স্তর বিশিষ্ট। -এই ঝিল্লি লিপিড ও প্রোটিনের সমন্বয়ে তৈরি হয়। এই ঝিল্লিতে মাঝে মাঝে কিছু ছিদ্র থাকে, যেগুলোকে নিউক্লিয়ার রন্দ্র বলে।

২.নিউক্লিওপ্লাজম : নিউক্লিয়ার ঝিল্লির ভিতরে জেলির মতো বস্তু বা -রস থাকে। একে কেন্দ্রিকারস বা নিউক্লিওপ্লাজম বলে। নিউক্লিওপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও কতিপয় খনিজ লবণ থাকে।

৩. নিউক্লিওলাস: নিউক্লিওপ্লাজমের মধ্যে ক্রোমোজোমের সাথে সংলগ্ন গোলাকার বস্তুকে নিউক্লিওলাস বা কেন্দ্রিকাণু বলে। ক্রোমোজোমের রংঅগ্রাহী অংশের সাথে এরা লেগে থাকে। এরা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

৪. ক্রোমাটিন জালিকা: কোষের বিশ্রামকালে অর্থাৎ যখন কোষ বিভাজন চলে না, তখন নিউক্লিয়াসের মধ্যে সুতার মতো জিনিস জট পাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। জট পাকিয়ে থাকা এই ক্রোমাটিন তন্তুগুলোকে একসাথে ক্রোমাটিন জালিকা বা নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম বলে। কোষ বিভাজনের সময় এরা মোটা ও খাটো হয় বলে তখন তাদের আলাদা ক্রোমোজোম হিসেবে দেখা যায়। ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলো বংশগতির গুণাবলি বহন করে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে নিয়ে যায়।

উত্তর:

উদ্দীপকের 'X' হলো ঐচ্ছিক পেশি, 'Y' হলো অনৈচ্ছিক পেশি এবং 'Z' হলো হৃদপেশি। হৃদপেশির গঠন ও কাজের বৈচিত্র্যের কারণে প্রশ্নে উল্লেখিত উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ। নিচে এর বিশ্লেষণ দেওয়া হলো-

গঠনগত সাদৃশ্য : ঐচ্ছিক পেশির মতো হৃদপেশির কোষ গুলোও নলাকার এবং এদের গায়েও স্পষ্ট আড়াআড়ি হালকা ও গাঢ় ডোরা দেখা যায়। উভয় পেশিতেই তন্তুগুলো সারকোলেমা নামক ঝিল্লি দিয়ে আবৃত থাকে। এই গাঢ় দাগ ও নলাকার গঠনের কারণেই হৃদপেশি গঠনগতভাবে ঐচ্ছিক পেশির সাথে সাদৃশ্যেপূর্ণ।

কার্যগত সাদৃশ্য : ঐচ্ছিক পেশি মানুষের ইচ্ছাধীন হলেও হৃদপেশির কাজ মানুষের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রিত হয় না। অনৈচ্ছিক পেশির মতো হৃদপেশিও স্বয়ংক্রিয় ভাবে নিজস্ব গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। ভূণ অবস্থা থেকে শুরু করে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত এই পেশি হৃদপিণ্ডের পাম্পিং কাজ সচল রাখে।

অর্থাৎ হৃদপেশি দেখতে ঐচ্ছিক পেশির মতো ডোরাকাটা। আবার এর কার্যক্রম মানুষের ইচ্ছাধীন নয়; এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে সংকোচন ও প্রসারণ ঘটায়। তাই বলা যায়, হৃদপেশি গঠনগত ভাবে ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কার্যগত ভাবে অনৈচ্ছিক পেশির মতো কাজ করে।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্র তিনটি…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”