| ㅤ | A. Nayan11 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রে দুটি…’ সোনার বাংলা কলেজ ২০২৪ – অর্ধপরিবাহী ও ইলেকট্রনিক্স, পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রে দুটি অবিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী A এবং B দেখানো হয়েছে। A-তে ভেজাল হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম এবং B তে ভেজাল হিসেবে ফসফরাস ব্যবহার করা হয়েছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১০
তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্যে অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মেশানো হয়, তাকে ডোপিং বলে।
যখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তখন তাপ শক্তির কারণে কিছু সংখ্যক সমযোজী বন্ধন ভেঙে যায় এবং কিছু ইলেকট্রন মুক্ত হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে কিছু সংখ্যক যোজন ইলেকট্রন পরিবহন ব্যান্ডে প্রবেশ করার মতো যথেষ্ট শক্তি অর্জন করে এবং মুক্ত ইলেকট্রনে পরিনত হয়। তাই তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহীতা বৃদ্ধি পায়।
A তে ভেজাল হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম এবং B তে ভেজাল হিসেবে ফসফরাস ব্যবহার করা হয়েছে অর্থাৎ A হলো P টাইপ সেমিকন্ডাক্টর এবং B হলো n টাইপ সেমিকন্ডাক্টর। A ও B কে যুক্ত করে ওকে A কে ধনাত্মক ও B কে ঋনাত্মক অর্থাৎ ধনাত্মক প্রান্ত P টাইপ বস্তুর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত n টাইপ বস্তুর সাথে সংযোগ দিলে সম্মুখী ঝোঁক সৃষ্টি হবে।
সম্মুখী ঝোঁকে কোষের ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ইলেকট্রনগুলোকে P টাইপ বস্তুর দিকে এবং কোষের ঋনাত্মক প্রান্ত হোলগুলোকে n-টাইপ বস্তুর দিকে টানবে। n-টাইপ বস্তু থেকে ইলেকট্রন জাংশন পার হয়ে P-টাইপ বস্তুতে গিয়ে এর হোলগুলো পূর্ণ করবে। ফলে P-n জাংশন ও বহিস্থ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ চলবে।
A এবং B কে যুক্ত করে ডায়োড তৈরি হবে। ডায়োড ব্যবহার করে AC কে DC তে রূপান্তর করা যায়।
দুটি ডায়োড দ্বারা পূর্ণ তরঙ্গ একমুখী করন করা যায়। V = VmSin হলো দিক পরবর্তী বিভব। সম্মুখ বায়াসের ক্ষেত্রে ডায়োডের মধ্য দিয়ে তরঙ্গ প্রবাহ চলে। বিপরীতমুখী বায়াসের সময় এর মধ্য দিয়ে খুব কম প্রবাহ চলে।
AC প্রবাহকে শোধন করে DC প্রবাহ পাওয়ার জন্য রেকটিফায়ার ব্যবহার করা হয়। তরঙ্গের ধনাত্মক অর্ধচক্রের সময় D₁ ডায়োডের মধ্য দিয়ে তরঙ্গের ঋনাত্মক অর্ধচক্রের সময় D₂ ডায়োডের মধ্য দিয়ে প্রবাহ পাওয়া যায়। DC তরঙ্গকে মসৃণ করার জন্য বর্তনীতে C ধারক ব্যবহার করা হয়। তরঙ্গের ধনাত্মক চক্রের সময় ধারকটি চার্জ গ্রহন করে চার্জিত হয় এবং ঋনাত্মক চক্রের সময় চার্জ হারায়। ডিসি ভোল্টমিটার এর সাহায্যে DC ভোল্টেজ পরিমাপ করা হয় এবং DC অ্যামিটার এর সাহায্য ডিসি প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করা হয়।