A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (1 day ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
📘 ক্লাস: 9-10🎓 গ্রুপ: বিজ্ঞান📚 বই: জীববিজ্ঞান📘 ১২তম অধ্যায়🔢 সৃজনশীল নম্বর: ১২📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ⭐⭐⭐⭐⭐

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রগুলো লক্ষ করো- 

উত্তর:

কোষের প্রোটোপ্লাজমের বাইরে যে দ্বিস্তরবিশিষ্ট পর্দা থাকে তাই কোষঝিল্লি বা প্লাজমালেমা। 

উত্তর:

দেহে অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যুকে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু বলে। এই টিস্যু দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন করে, দেহকে নির্দিষ্ট আকৃতি এবং দৃঢ়তা দেয়। অঙ্গ' সঞ্চালন এবং চলনে সহায়তা করে। মস্তিষ্ক, মেরুরজ্জু, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড-এরকম দেহের নরম ও নাজুক অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে। বিভিন্ন ধরনের রক্তকণিকা উৎপাদন করে ঐচ্ছিক পেশিগুলোর সংযুক্তির ব্যবস্থা করে। গঠনের ভিত্তিতে স্কেলিটাল যোজক টিস্যু দু'ধরনের হয়। যেমন- কোমলাস্থি এবং অস্থি। 

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-'Q' হলো প্যারেনকাইমা টিস্যু এবং চিত্র-'R' হলো স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু। প্যারেনকাইমা এবং স্কেরেনকাইমা উভয়ই উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যু হওয়া সত্ত্বেও গঠন ও কাজ ভিন্ন। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলো জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ। এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক দেখা যায়। কোষপ্রাচীর পাতলা এবং সেলুলোজ দিয়ে তৈরি হয়। এসব কোষে যখন ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে তখন তাকে ক্লোরেনকাইমা বলে। জলজ উদ্ভিদের বড়ো বড়ো বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমাকে অ্যারেনকাইমা বলে। প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ দেহ গঠন করা, খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ করা। অন্যদিকে, স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলো শক্ত, অনেক লম্বা এবং পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট হয়। প্রোটোপ্লাজমবিহীন এবং লিগনিনযুক্ত। প্রাথমিক অবস্থায় কোষগুলোতে প্রোটোপ্লাজম উপস্থিত থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি তা নষ্ট হয়ে মৃত কোষে পরিণত হয়। কোষগুলো প্রধাণত দুই ধরনের, ফাইবার এবং স্ক্লেরাইড। উদ্ভিদদেহে দৃঢ়তা প্রদান এবং পানি ও খনিজ লবণ পরিবহণ করা এর মূল কাজ ।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, প্যারেনকাইমা ও ফ্লেরেনকাইমা একই টিস্যু হওয়া সত্ত্বেও গঠন ও কাজে ভিন্ন হয়ে থাকে। 

উত্তর:

উদ্দীপকে চিত্র-'P' দ্বারা ক্রোমোজোমকে বুঝানো হয়েছে। মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৩ জোড়া। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম। মানবশিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে ক্রোমোজোম অর্থাৎ সেক্স ক্রোমোজোমের (XX এবং XY) ভূমিকা অপরিসীম। নিচে মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে সেক্স ক্রোমোজোমের ভূমিকা চিত্রসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
জীবের লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে সেক্স ক্রোমোজোম বলে। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X. এবং Y নামে পরিচিত। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX । কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X এবং অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। X এবং Y উভয় ধরনের সেক্স ক্রোমোজোমই আকৃতিতে লম্বা এবং রডের মতো তবে Y ক্রোমোজোম X ক্রোমোজোমের তুলনায় কিছুটা ছোট। স্ত্রীলোকদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু সৃষ্টিব্য ক্রোমোজোমের সাথে একটি অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু করে। সৃষ্টির সময় যখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটে তখন প্রতিটি ডিম্বাণু অপরপক্ষে পুরুষে শুক্রাণু সৃষ্টির সময় অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে X এবং অর্ধেক সংখ্যক শুক্রাণু একটি করে Y ক্রোমোজোম লাভকরে। ডিম্বাণু পুরুষের X বা Y ক্রোমোজোমবাহী শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে পারে। ফলে জাইগোটটি দুটি X অথবা একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হতে পারে। দুটি X নিয়ে যে শিশু জন্মাবে সে হবে একটি মেয়ে অর্থাৎ XX আর যে শিশু একটি X এবং একটি Y অর্থাৎ XY নিয়ে জন্মাবে সে হবে একটি ছেলে।
জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা : 

সুতরাং উপরের ক্রস থেকে বুঝা যায় যে, ক্রোমোজোমই মানবশিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। 

3 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ২০২৬ – জীবের পরিবেশ, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”