A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: বরিশাল বোর্ড📅 সাল: ২০২৪⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রগুলো লক্ষ কর-

উত্তর:

কোষের কোষঝিল্লির পর্দা যখন ভিতর দিকে বিভিন্ন জায়গায় ভাগ হয়ে আঙ্গুলের মতো অভিক্ষেপ তৈরি করে। এই অভিক্ষেপগুলোকেই মাইক্রোভিলাই বলে।

উত্তর:

পৌষ্টিকনালির প্রাচীরকে মসৃণ বা অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়। কারণ- এই পেশি টিস্যুর সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। এ পেশি কোষগুলো মাকৃ আকৃতির। এদের গায়ে আড়াআড়ি দাগ থাকে না। এজন্য এ পেশিকে মসৃণ পেশি বলে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অন্ননালি, পাকস্থলী, অন্ত্র, শ্বাসনালি, মূত্রথলি, মূত্রনালি, রক্তনালি এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের দেয়ালে বা আস্তরণে অবস্থান করে। এগুলো সচেতন জ্ঞাপন ছাড়াই নিজে নিজে সংকুচিত-প্রসারিত হয়। অর্থাৎ এগুলোকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-C হলো রক্তের উপাদান লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেতরক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা। এই তিন প্রকার রক্তকণিকা মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে থাকে। মানবদেহে কণিকাগুলোর কাজ নিচে বর্ণনা করা হলো-
১. লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইট:
i. হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে দেহকোষে অধিকাংশ O2 ও সামান্য পরিমাণ CO2 সরবরাহ করে।
ii. হিমোগ্লোবিন বাফার হিসেবে রক্তে অম্ল-ক্ষারের সমতা রক্ষা করে এবং রক্তের সাধারণ ক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।
iii. রক্তের ঘনত্ব ও আঠালো ভাব রক্ষা করে।
২. শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট:
i. মনোসাইট ও নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে।
ii. লিম্ফোসাইটগুলো অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ করে।
iii. দানাদার লিউকোসাইট হিস্টামিন সৃষ্টি করে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট:
i. ক্ষতস্থানে রক্ততঞ্চন ঘটায় এবং হিমোস্ট্যাটিক প্লাগ গঠন করে রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
ii. ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে কার্বন কণা, ইমিউন কমপ্লেক্স ও ভাইরাসকে ভক্ষণ করে।
iii. সেরাটোনিন নামক রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন করে যা রক্তনালির সংকোচন ঘটিয়ে রক্তপাত হ্রাস করে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-A হলো ভেসেল, যা জাইলেম টিস্যুর একটি অংশ এবং চিত্র-B হলো ফ্লোয়েম টিস্যু। উদ্ভিদের বিভিন্ন উপাদান পরিবহনে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন, করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্ভিদে পরিবহন বলতে মাটি থেকে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ এবং পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্যের চলাচলকে বুঝায়। আমরা জানি, জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে পানি এবং খনিজ লবণ উদ্ভিদের পাতায় পৌঁছায়।
প্রস্বেদন টান, কৈশিক শক্তি এবং মূলজ চাপের ফলে কোষরস উদ্ভিদের পাতায় পৌঁছে যায় বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন। এভাবে পাতায় পানি পৌঁছালে সেখানে খাদ্য প্রস্তুত হয়। প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনের দায়িত্ব গ্রহণ করে ফ্লোয়েম টিস্যু। এ খাদ্য ফ্লোয়েমের সিভনলের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈব যৌগ ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে বিপরীত দিকে একই সাথে চলাচল করে। উদ্ভিদের নিচের দিকের যৌগগুলো নিচের দিকে, উপরে সংশ্লেষিত যৌগগুলো উপরের দিকে এবং উদ্ভিদের মাঝামাঝি এলাকায় সংশ্লেষিত পদার্থগুলো উপরে বা নিচে যেকোনো দিকে প্রবাহিত হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, মূলরোম থেকে পানি ও খনিজ লবণ উদ্ভিদ দেহে উর্ধ্বমুখী পরিবহনের ক্ষেত্রে জাইলেম টিস্যু এবং পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদেহের নিম্নমুখী পরিবহনে ফ্লোয়েম টিস্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৪ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”