A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২২⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রগুলো লক্ষ করো-

উত্তর:

কি জাইলেমে অবস্থিত স্ক্লেরেনকাইমা কোষকে জাইলেম ফাইবার বা উড ফাইবার বলে।

উত্তর:

ট্রাকিড ও ভেসেল উভয়ই জটিল টিস্যু, যা জাইলেম টিস্যুর অংশবিশেষ। ট্রাকিড, ভেসেল থেকে ভিন্ন কারণ- ট্রাকিডের কোষগুলো লম্বা, এর প্রান্তদ্বয় সরু এবং সূঁচালো, কোষগহ্বর বড়, কোষপ্রাচীর শক্ত, দৃঢ় ও লিগনিনযুক্ত। আবার ভেসেলের কোষগুলো খাটো চোঙের মতো, একাধিক কোষ মাথায় যুক্ত হয়ে ফাঁপা নলের সৃষ্টি করে। এর ফলে কোষরসের উপরে ওঠার জন্য একটি সরু পথ সৃষ্টি হয়ে যায়। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণেই ট্রাকিড ভেসেল থেকে ভিন্ন প্রকৃতির।

উত্তর:

গ. উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র 'Y' তে অবস্থিত পেশি হলো ঐচ্ছিক পেশি। এই পেশিকে কঙ্কাল পেশিও বলা হয়। নিচে ঐচ্ছিক পেশির গঠন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

১. ঐচ্ছিক পেশিটিস্যুর কোষগুলো নলাকার, শাখাবিহীন ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত।

২.এদের সাধারণত একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।

৩. এই পেশি দ্রুত সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে।

৪. এ কোষে মায়োফাইব্রিল ও সারকোলেমা থাকে।

৫. ঐচ্ছিক পেশি অস্থিতন্ত্রে সংলগ্ন থাকে। উদাহরণ: মানুষের হাত এবং পায়ের পেশি।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'X' হলো কলামনার (স্তম্ভাকার) আবরণী টিস্যু এবং 'Z' হলো স্নায়ু টিস্যু। কার্যগত দিক থেকে আবরণী টিস্যু এবং স্নায়ু টিস্যুর মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-কলামনার আবরণী টিস্যুর কোষসমূহ স্তম্ভের মতো সরু ও লম্বা। প্রাণীর অন্ত্রের অন্তঃপ্রাচীর এই আবরণী টিস্যু দ্বারা গঠিত। শরীরের ত্বকীয় বা আবরণী টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ হিসেবে কাজ করে। তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়। এই টিস্যুর কাজ হলো অঙ্গকে আবৃত রাখা, সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা, প্রোটিনসহ বিভিন্ন পদার্থের ক্ষরণ বা নিঃসরণ করা, বিভিন্ন পদার্থ শোষণ করা এবং কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহণ করা। 

অন্যদিকে, দেহের বিশেষ সংবেদী কোষ নিউরন বা স্নায়ু কোষগুলো একত্রে স্নায়ু টিস্যু গঠন করে। মানবদেহের স্নায়ুকোষ দেহজুড়ে জালের মতো ছড়িয়ে থাকে। স্নায়ু টিস্যু পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা যেমন-তাপ, স্পর্শ, চাপ ইত্যাদি গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে এবং মস্তিষ্ক তা বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপযুক্ত কাজ করে থাকে। উচ্চতর প্রাণীতে স্নায়ু টিস্যু স্মৃতি সংরক্ষণ করাসহ দেহের বিভিন্ন অঙ্গে কাজ নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, আবরণী টিস্যু এবং স্নায়ু টিস্যু মানবদেহের ভিন্ন ভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকে। এজন্য এদের মধ্যে কার্যগত ভিন্নতা দেখা যায়।

8 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২২ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”