A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏫 বোর্ড: ঢাকা বোর্ড📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রগুলো লক্ষ করো :

উত্তর:

মানবদেহে অবস্থিত নালিবিহীন গ্রন্থিসমূহকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। যেমন- থাইরয়েড গ্রন্থি, অগ্ন্যাশয়, পিটুইটারি গ্রন্থি প্রভৃতি।

উত্তর:

ফ্লোয়েমকে পরিবহণ টিস্যু বলা হয়। কারণ উদ্ভিদের পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য দেহের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহণের কাজটি করে থাকে ফ্লোয়েম টিস্যু। এ খাদ্য ফ্লোয়েমের সিভনলের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈব যৌগ ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে বিপরীত দিকে একই সাথে চলাচল করে। উদ্ভিদের নিচের দিকের যৌগগুলো নিচের দিকে, উপরের সংশ্লেষিত যৌগগুলো উপরের দিকে এবং উদ্ভিদের মাঝামাঝি এলাকার সংশ্লেষিত পদার্থগুলো উপরে বা নিচে যেকোনো দিকে প্রবাহিত হয়। এ কারণেই ফ্লোয়েমকে পরিবহণ টিস্যু বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-P হলো স্নায়ুটিস্যু। স্নায়ুটিস্যুর গঠনগত ও কার্যগত একক হলো নিউরন। নিচে নিউরন বা স্নায়ু টিস্যুর গঠন বর্ণনা করা হলো—

১. কোষদেহ : নিউরনের কোষদেহ বহুভূজাকৃতির এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত। কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবডি, রাইবোজোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি থাকে। সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল না থাকায় নিউরন বিভাজিত হয় না।
২. অ্যাক্সন : নিউরনের কোষদেহ থেকে যে লম্বা স্নায়ুতন্তু পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের সাথে যুক্ত থাকে তাকে অ্যাক্সন বলে। একটি নিউরনের একটি মাত্র অ্যাক্সন থাকে। পরপর দুটি নিউরনের প্রথমটির অ্যাক্সন এবং পরেরটির ডেনড্রাইটের মধ্যে যে স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয় তাকে সিন্যাপস বলে। সিন্যাপস এর মধ্য দিয়েই একটি নিউরন থেকে উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে পরিবাহিত হয়।
৩. ডেনড্রাইট : কোষের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে। ড্রেনডন থেকে যে শাখা বের হয়, তাদের ডেনড্রাইট বলে। ড্রেনড্রাইটের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-M এবং চিত্র-N হলো যথাক্রমে লোহিত রক্তকোষ এবং শ্বেত রক্তকোষ। এই লোহিত রক্তকোষ এবং শ্বেত রক্তকোষ প্রাণিদেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো—
১. লোহিত রক্তকোষ : লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামক একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহণ করে।
২. শ্বেত রক্তকোষ : শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। এগুলোর মধ্যে লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগজীবাণু ধ্বংস করে। এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে। নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে। ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, প্রাণিদেহে বিভিন্ন জৈবিক কাজে লোহিত রক্তকোষ এবং শ্বেত রক্তকোষ এর ভূমিকা অপরিসীম।

9 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রগুলো লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”