A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ – বারিমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ৭ম অধ্যায় — বারিমণ্ডল🔢 সৃজনশীল নং ১৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৭

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভূপৃষ্ঠের যে বিশাল অংশ পানিরাশি দ্বারা আবৃত রয়েছে, তাকে বারিমণ্ডল বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর আটলান্টিক মহাসাগর।

আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ, পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ, উত্তরে গ্রিনল্যান্ড এবং দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত। নিরক্ষরেখার নিকট এটি বেশি সংকীর্ণ কিন্তু নিরক্ষরেখা হতে এটি উত্তর ও দক্ষিণে ক্রমশ চওড়া।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পৃথিবীর সকল পানিরাশির সাধারণ নাম বারিমণ্ডল। ভূপৃষ্ঠের যে বিশাল অংশ পানি দ্বারা আবৃত রয়েছে তাকে বারিমণ্ডল বলে। বারিমণ্ডলের উৎসসমূহের বর্ণনা নিম্নরূপ-
বারিমণ্ডলের পানিরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন অবস্থায় আছে। কঠিন অবস্থায় বরফ হিসেবে আছে মেরু অঞ্চলে ও পর্বতশৃঙ্গে, গ্যাসীয় অবস্থায় জলীয়বাষ্প হিসেবে আছে আছে বায়ুমণ্ডলে এবং তরল অবস্থায় আছে মহাসাগর, সাগর, নদী, হ্রদ, খাল, বিল, পুকুর, ডোবা, প্রভৃতি স্থানে। বারিমণ্ডলের প্রধান উৎস হচ্ছে মহাসাগর, সাগর, উপসাগর। এখানে প্রায় শতকরা ৯৭ ভাগ পানি জমা আছে। বাকি শতকরা ৩ ভাগ আছে নদী, হ্রদ, ভূগর্ভ, জীবমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল, ভূপৃষ্ঠ প্রভৃতি স্থানে।
বারিমণ্ডলের পানি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উত্তর গোলার্ধ অপেক্ষা দক্ষিণ গোলার্ধে পানিরাশির পরিমাণ অধিক। অন্যভাবে দেখলে, পূর্ব গোলার্ধ অপেক্ষা পশ্চিম গোলার্ধে পানিরাশি অধিক পরিমাণে আছে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বাংলাদেশের দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে যাওয়া উপসাগরটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর এর ইংরেজি নাম Bay of Bengal।
ভারত মহাসাগরের উত্তরে ৫° দক্ষিণ হতে ২২° দক্ষিণ অক্ষাংশ এবং পশ্চিমে প্রায় ৮০° পূর্ব হতে ৯৫° পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের অবস্থান। এর পূর্ব দিকে মায়ানমার ও বাংলাদেশের অংশ, উত্তরদিকে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। দক্ষিণ-পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ২২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, তলদেশের গভীরতা ২০০- ৪,০০০ মিটার।

বঙ্গোপসাগরের মহীঢাল এলাকায় খাড়া ঢাল বিশিষ্ট অবস্থানজনিত একটি গভীর নিমগ্ন খাত রয়েছে। এটি প্রায় ১২ কিমি. চওড়া এবং প্রায় ১২৭০ মিটার গভীর। এছাড়া প্রচণ্ড ঢেউয়ের প্রভাবে পলল মহীসোপান জমা হয়ে চরাভূমি গঠন করে।
বঙ্গোপসাগরে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামে একটি গভীর গিরিখাত; ৯০ ডিগ্রি পূর্ব শৈলশিরা, মিয়ানমার ও চ্যাগোস পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রখাত ও কতিপয় নিমজ্জিত চরাভূমি। বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের গভীরতা সর্বত্র ২০০ মিটারের কম। দক্ষিণ-পূর্বাংশের মহীসোপান খুবই চওড়া।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ – বারিমণ্ডল, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”