| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ বরিশাল বোর্ড ২০২৫ – চলন ও অঙগচালনা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৭
করোটির যে অংশে মস্তিষ্ক আবৃত করে রাখে তাকে করোটিকা বলে।
Ileum ও Ilium-এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রটি অনৈচ্ছিক পেশি-কে নির্দেশ করে। এই পেশি কেবল টান দেয়, ধাক্কা দিতে পারে না। এর কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
স্নায়বিক উদ্দীপনায় অনৈচ্ছিক পেশিগুলো সংকুচিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের ইচ্ছা ব্যতীত স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটে। এই পেশিগুলো দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো যেমন: পাকস্থলী, অন্ত্র, রক্তনালীতে অবস্থিত। সংকোচনের ফলে পেশি তন্তুগুলোতে একটি টান পড়ে এবং এই টান সংশ্লিষ্ট অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায়। উদাহরণস্বরূপ, পাকস্থলির অনৈচ্ছিক পেশি সংকুচিত হলে খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করার জন্য পাকস্থলীকে মন্থন করে। ঐচ্ছিক পেশির মতোই অনৈচ্ছিক পেশির ফাইবারগুলোর মৌলিক গঠন এমন যে, তারা শুধুমাত্র নিজেদের দৈর্ঘ্য কমাতেই সক্ষম, অর্থাৎ সংকুচিত হতে পারে। গঠনগতভাবে নিজেদের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে বা প্রসারিত হয়ে সক্রিয়ভাবে কোনো কিছুকে ধাক্কা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এই কারণেই বলা হয়, অনৈচ্ছিক পেশি কেবল টান দিতে পারে, ধাক্কা দিতে পারে না।
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে অনৈচ্ছিক পেশি এবং 'খ' চিত্রে হৃদপেশি প্রদর্শিত হয়েছে। অনৈচ্ছিক পেশি ও হৃদপেশিতে গঠন ও কার্যগত পার্থক্য বিদ্যমান। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
গঠনগত পার্থক্য: অনৈচ্ছিক পেশি অভ্যন্তরীণ অঙ্গের যেমন পৌষ্টিকনালি, রক্তনালী প্রভৃতির প্রাচীরে থাকে। এদের কোষগুলো মাকু আকৃতির এবং প্রতিটি কোষে একটি মাত্র নিউক্লিয়াস থাকে। এতে কোনো ডোরাকাটা দাগ থাকে না, তাই এটি মসৃণ দেখায়। অন্যদিকে, হৃদপেশি শুধুমাত্র হৃদপিন্ডের প্রাচীরে থাকে। এর কোষগুলো শাখাপ্রশাখা যুক্ত এবং এদের মাঝে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক থাকে। এতে একটিমাত্র নিউক্লিয়াস থাকে এবং এর গায়ে অনুপ্রস্থ রেখা বিদ্যমান।
কার্যগত পার্থক্য: অনৈচ্ছিক পেশি প্রাণীর ইচ্ছাশক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এসব পেশি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন খাদ্যনালী, রক্তনালী ইত্যাদির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। এদের সংকোচন সাধারণত মন্থর ও দীর্ঘস্থায়ী হয়। অন্যদিকে, হৃদপেশির প্রধান কাজ হলো হৃদপিণ্ডের ছন্দোময় সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত পাম্প করা। হৃদপেশি স্বয়ংক্রিয় ও অনৈচ্ছিকভাবে কাজ করে এবং জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন ও ক্লান্তিহীনভাবে কার্যকর থাকে।