A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ২১🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর : 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ব্যাকটেরিওফায হল এক ধরনের ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রামিত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভাইরাসকে জড় ও জীবের যোগসূত্র বলা হয়। কারণ ভাইরাস যখন অন্য জীবদেহে প্রবেশ করে তখন এর আমিষ ও নিউক্লিক এসিড একত্রিত হয়। ফলে এরা জীবনের লক্ষণ ফিরে পায়। আবার যখন ভাইরাস জীবদেহের বাইরে থাকে, তখন এদের আমিষ আবরণ থেকে নিউক্লিক এসিড বের হয়ে যায়। ফলে এরা এদের জীবনের সকল লক্ষণ হারিয়ে ফেলে। তাই ভাইরাসকে জীব ও জড়ের যোগসূত্র বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের A হচ্ছে ব্যাকটেরিওফায।

ধাপ-১: T2-বাকটেরিওফায সাধারণত E.coli ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে থাকে। E.coli ব্যাকটেরিয়াদের কোষ প্রাচীরে ফাযপ্রোটিনের জন্য ক্রিসেন্টর সাইট (recopter site) থাকে। রিসেন্টর সাইটে প্রাটিনের সাথে ফায ক্যাপসিডের স্পর্শক তন্তুর প্রোটিনের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ামের প্রাচীরে T2 ফায দূড়ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায়। এটি হলো অক্রমণের সূচনা।

 ধাপ-২: ফাষ DNA প্রবেশ (Penetration): ব্যাকটেরিওফাযের দন্ডাকৃতিক লেজটি সংকুচিত হয়ে বিশেষ শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সংযোগ স্থানের প্রাচীরে ছিদ্র তৈরি করে এবং ফায-DNA কে E.coli ব্যাকটেরিয়ামের কোয়মেমব্রেন ভেদ করে সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করিয়ে দেয়। শূন্য প্রোটিন আবরণটি বাইরেই থেকে যায়। (আমাদের দেহে রোগ সৃষ্টিকারী অনেক ভাইরাসের সম্পূর্ণ দেহটিই পোষক কোথে প্রবেশ করে। পরে পোষক কোষের এনজাইম প্রোটিন আবরণটিকে বিগলিত করে ফেলে এবংভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) মুক্ত হয়। এসব ক্ষেত্রে লাইটিক চক্র ৬টি ধাপে সম্পন্ন হয়।)

ধাপ-৩: অনুলিপন (Replication): ফায DNA পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর তার নিজস্ব প্রোমোটার সিকুয়েন্স দ্বারা পোষক কোষের RNA পলিমারেজকে আকৃষ্ট করে। পোষক কোষের RNA পলিমারেজ E.coli DNA কে ছাঁচ হিসেবে ধরে mRNA ট্রান্সক্রাইব করে এবং ফায mRNA তৈরি করে। ফায mRNA পরে প্রোটিন তৈরি করে এবং একটি বিশেষ প্রোটিন (প্রকৃতপক্ষে এনজাইম) E.coli DNA কে খণ্ড বিখও করে নষ্ট করে দেয়। কাজেই পোষক কোষের ফায DNA-এর কোনো প্রতিযোগী থাকে না। ফায DNA নিউক্লিয়োটাইড (E.coli কোষের বিগলিত DNA থেকে মুক্ত হওয়া) কোষের রাইবোসোম, tRNA, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদির কর্তৃক গ্রহণ করে এবং নিজের ইচ্ছেমতো নতুন ফায DNA প্রতিলিপন করে নেয় এবং ফায কোট প্রোটিন (coat protein) তৈরি করে। কোট প্রোটিন মাথা, লম্বা লেজ, স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি অংশ হিসেবে পথক পৃথকভাবে তৈরি হয় 

ধাপ-৪: বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া (Assembly): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রতিটি ফায DNA এক একটি কোট প্রোটিনের মাথার অংশে প্রবেশ করে। পরে ক্রমান্বয়ে মাথার অংশের সাথে লেজ, লেজের শেষ প্রান্তে স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাকটেরিওফায হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ধাপ-৫: নতুন ভাইরাস মুক্তি (Release): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায একটি সুনির্দিষ্ট এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে বেরিয়ে আসে। মুক্ত হওয়া প্রতিটি ফায একটি নতুন E.coli ব্যাকটেরিয়ামকে আক্রমণ করতে সক্ষম।

কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হওয়াকে লাইসিন (lysis) বলে। লাইটিক চক্রের মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে অসংখ্য ফায সৃষ্টি হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের B হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া।

মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে: মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ব্যাকটেরিয়ার অবদান অনেক। মাটির জৈব পদার্থ সঞ্চয়ে ব্যাকটেরিয়ার প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। ব্যাকটেরিয়া মাটির উপাদান হিসেবেও কাজ করে। নানাবিধ আবর্জনা হতে পচন ক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া জৈব সার ও জৈব গ্যাস প্রস্তুত করে থাকে। 

নাইট্রোজেন সংবন্ধনে: Azotobacter,Pseudomonas, 

Clostridium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া সরাসরি বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে । নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে মাটিতে স্থাপন করে, ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে থাকে। 

পতঙ্গনাশক হিসেবে: কতিপয় ব্যাকটেরিয়া (যেমন- Bacillus

 thuringiensis) বিভিন্ন প্রকার পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।

ফলন বৃদ্ধিতে: কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া প্রয়োগ করে ধানের উৎপাদন শতকরা ৩১.৮ ভাগ এবং গমের উৎপাদন শতকরা ২০৮ ভাগ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। 

শিল্প ক্ষেত্রে: 

চা, কফি, তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণে: চা, কফি, তামাক প্রভৃতি প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যাকটেরিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

দুগ্ধজাত শিল্পে: দুগ্ধ হতে মাখন, দই, পনির প্রকৃতি তৈরি করতে হলে ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতার প্রয়োজন। 

পাট শিল্পে: ব্যাকটেরিয়ার পচনক্রিয়ার ফলেই পাটের আঁশগুলো পৃথক হয়ে যায় এবং আমরা পাটের আঁশ পেয়ে থাকি। কাজেই আমাদের অর্থনীতিতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা তুলনাহীন। এ ব্যাপারে Clostridium এর ভূমিকা যথেষ্ট।

চামড়া শিল্পে: চামড়া হতে লোম ছড়ানোর ব্যাপারে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা অপরিসীম।

জৈব গ্যাস তৈরিতে: জৈব গ্যাস তৈরিতে এবং হেভী মেটাল (ভারী ধাতু) পৃথকীকরণেও ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

টেস্টিং সল্ট প্রস্তুতিতে: টেস্টিং সল্ট প্রস্তুতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়। খাদ্যদ্রব্যকে সুস্বাদু ও মুখরোচক করতে এ সল্ট ব্যবহৃত হয়।

রাসায়নিক পদার্থ প্রস্তুতকরণে: ভিনেগার (Acetobacter xylinum দিয়ে), ল্যাকটিক lacticacidi দিয়ে), অ্যাসিটোন (Clostridium acetobutylicum দিয়ে) প্রভৃতি রাসায়নিক দ্রব্য শিল্পক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”