A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ৬৬🏢 প্রতিষ্ঠান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

মায়োটিক প্রোফেজের সূচনালগ্নে ক্রোমোসোমের ক্রোমোনেমা তন্তুটি স্থানে স্থানে ঘনীভূত হয়ে যে পুঁতি বা দানার মতো অংশ গঠন করে, তাকে ক্রোমোমিয়ার বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন ফ্যাক্টর দ্বারা মাইটোসিস নিয়ন্ত্রিত হয়। মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়াটির কোনো কারণে নিয়ন্ত্রণ অকার্যকর হলে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন চলতে থাকে, যাকে অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে। আমরা জানি, মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি থেকে দুটি, দুটি থেকে চারটি, চারটি থেকে আটটি এভাবে কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত থাকে। কিন্তু কোনো কারণে এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে গেলে অস্বাভাবিকভাবে কোষ বিভাজন চললে এর ফলে টিউমার, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের দ্বিতীয় ধাপ প্রো-মেটাফেজ। নিচে প্রো-মেটাফেজ পর্যায়টি ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রোফেজ পর্যায়ের পরবর্তী এবং মেটাফেজ পর্যায়ের অগ্রবর্তী পর্যায়কে প্রো-মেটাফেজ বলে। এটি স্বল্পস্থায়ী পর্যায় প্রোফেজের একেবারে শেষদিকে উদ্ভিদকোষে কতগুলো তন্তুময় প্রোটিনের সমন্বয়ে দু'মেরুযুক্ত স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয়। এই পর্যায়ের প্রথম দিকেই স্পিন্ডল যন্ত্রের তন্তুগুলোর আঘাতে নিউক্লিয়ার এনভেলপ বিলুপ্ত হতে থাকে। এই পর্যায়ে ক্রোমসোমীয় নৃত্য দেখা যায়। নিচে চিত্র দেয়া হলো :

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত কোষবিভাজনটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজনের দ্বিতীয় ধাপ প্রো-মেটাফেজ। জীবদেহে মাইটোসিস প্রক্রিয়ার গুরত্ব অপরিসীম। নিচে মাইটোসি প্রক্রিয়ার গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১. দেহ গঠন ও দৈহিক বৃদ্ধি: বহুকোষী জীবে জাইগোট নামক একটি মাত্র কোষের মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে বহুকোষী জীবদেহ গঠিত হয় এবং দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে।

২. বংশবৃদ্ধি: কিছু এককোষী সুকেন্দ্রিক জীবে মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি ঘটে।

৩. জননাঙ্গ সৃষ্টি ও জনন কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি: মাইটোসিস বিভাজনের ফলেই বহুকোষী জীবের জননাঙ্গ সৃষ্টি হয়, ফলে বংশবৃদ্ধির ক্রমধারা বজায় রাখতে পারে। জনন কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি করতেও এ প্রক্রিয়া আবশ্যক।

৪ . নির্দিষ্ট আকার-আয়তন রক্ষা: এ বিভাজন প্রক্রিয়ার ফলে কোষের স্বাভাবিক আকার, আকৃতি, আয়তন ইত্যাদি গুণাগুণ বজায় থাকে।

৫. ক্রোমোসোমের সংখ্যার সমতা রক্ষা:  মাইটোসিস কোষ বিভাজনের কারণে দেহের সব দেহকোষে সমসংখ্যক ও সমগুণ সম্পন্ন ক্রোমোসোম থাকে।

৬. ক্ষতস্থান পূরণ : বহুকোষী জীবদেহে সৃষ্ট যেকোনো ক্ষতস্থান মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজনের মাধ্যমে পূরণ হয়।

৭. গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা : এ প্রকার বিভাজনের ফলে জীবগতের গুণগত বৈশিষ্ট্যের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”