A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ – মানবদেহের প্রতিরক্ষা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ১০ম অধ্যায় — মানবদেহের প্রতিরক্ষা🔢 সৃজনশীল নং ৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ১০

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আদি শিলাস্তরে প্রস্তরীভূত অথবা পাললিক শিলাস্তর এ প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিকহাসিক জীবের দেহ, দেহাংশ বা দেহের কোনো অংশের ছাপ কিংবা রাসায়নিক পদার্থে সৃষ্ট জীবদেহের অনুরূপ কাঠামোকে জীবাশ্ম বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সামাজিক প্রাণী বললেই প্রথমে আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে মৌমাছিসহ একটি মৌচাকের কথা। আর একটি মৌচাকে যে সদস্যরা থাকে তারা বিভিন্ন গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে অবস্থান ও কাজে নিযুক্ত থাকে। চাকের প্রত্যেক সদস্য নিজের স্বার্থের দিকে না তাকিয়ে অন্য সদস্যদের কল্যাণে একমনে কাজ করে যায়। সমাজের সদস্যদের এমন মনোভাবই হলো অ্যালটুইজম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত গঠনটি হলো অ্যান্টিবডি। নিচে অ্যান্টিবডির গঠন বর্ণনা করা হলো-

১. ভারী ও হালকা শৃঙ্খল: প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে দু'জোড়া পলিপেপটাইড শৃঙ্খল থাকে। এর মধ্যে সদৃশ একজোড়া লম্বা ও ভারী শৃঙ্খল এবং অন্য জোড়া সদৃশ হালকা শৃঙ্খল।
২. ডাইসালফাইড বন্ড প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে অন্তত ৩টি আন্তঃশৃঙ্খল ডাইসালফাইড বন্ড রয়েছে।

৩. স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অঞ্চল: প্রত্যেক অ্যান্টিবডি দুই অঞ্চলবিশিষ্ট গঠনে নির্মিত। একটি হচ্ছে স্থায়ী অঞ্চল এবং অন্যটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল।

৪. কজা অঞ্চল: অ্যান্টিবডি অণুর বাহু দুটি যে সংযোগ স্থল থেকে দু'ভাগ হয়ে যায় তা কজা অঞ্চল। অংশটি অ্যান্টিবডিকে কিছুটা নমনীয়তা দান করে। বাহু দুটির দু'প্রান্তে অবস্থিত একটি করে মোট দুটি প্যারাটপে দুটি অ্যান্টিজেনকে আটক করা যায়।

 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের গঠনটি হলো অ্যান্টিবডি। শরীরে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি তৈরি করে নানা ধরনের রোগ যেমন- পোলিও, টাইফয়েড, হাম, গুটি বসন্ত, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ভ্যাক্সিন দেহে অ্যান্টিবডি উৎপন্নে উদ্দীপনা জোগায় এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের বিরুদ্ধে দেহকে অনাক্রম্য করে তোলে। এটি একবার শরীরে প্রয়োগ করলে আজীবন দেহেই থেকে যায়। অ্যান্টিবডির কাজ হলো দেহের ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করা। ভ্যাক্সিন প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট অ্যান্টিবডির পরিবর্তনশীল অংশে "তালাচাবি পদ্ধতিতে অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেন কমপ্লেক্স তৈরি হয়। এ ধরনের তৈরি অসংখ্য কমপ্লেক্স পুঞ্জীভূত হয়ে অন্যান্য অ্যান্টিবডির আক্রমণের শিকার হয়। যার ফলে মানবদেহ প্রতিরক্ষা সচল থাকে। অ্যান্টিবডি দ্রবণীয় অ্যান্টিজেনের সাথে মিলে বড় বড় কণায় পরিণত ও অধঃক্ষিপ্ত হয়। এটি সহজেই ম্যাক্রোফেজের শিকারে পরিণত হয়। দেহে অনুপ্রবেশিত জীবাণু বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে। অ্যান্টিবডি এসব পদার্থের সাথে যুক্ত হয়ে বিষাক্তময়তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। জীবাণুর গায়ে যেখানে অ্যান্টিবডিগুলো যুক্ত হয় সেখানে কিছু প্রোটিন এনজাইম জমা হয়। এনজাইমের কর্মকান্ডে জীবাণু বিশ্লিষ্ট হয়ে ধ্বংস হয়।
সুতরাং দেহে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি তৈরি করে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ – মানবদেহের প্রতিরক্ষা, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”