| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
নাসাগলবিলের পেছনে অবস্থিত পেশি ও কোমলাস্থির সমন্বয়ে গঠিত যে গঠন শব্দ সৃষ্টি করে তাই স্বরযন্ত্র।
বৈদ্যুতিক শক, অক্সিজেনের অভাব, কার্বন মনোঅক্সাইডের বিষক্রিয়া, পানিতে ডোবা, অথবা ঘাড়ে/মাথায় গুরুতর আঘাতের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে যখন কারো শ্বাস-প্রশ্বাস বা হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, তখন কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস প্রয়োজন হয়। এটি একটি জীবন রক্ষাকারী পদ্ধতি, যা আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য প্রশিক্ষিত ব্যক্তি দ্বারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োগ করা হয়।
উদ্দীপকের চিত্রে প্রদর্শিত 'P' অঙ্গটি হলো ফুসফুস। ধূমপানের দ্বারা ফুসফুস বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-ধূমপান শ্বসনতন্ত্র ও শ্বসন প্রক্রিয়ার উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যার ফলশ্রুতিতে শ্বসনতন্ত্রের ও শ্বসনজনিত বিভিন্ন জটিল রোগ সৃষ্টি হয়। একটি সিগারেটের শলায় প্রায় ৪ হাজার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ থাকে। সিগারেটে যে রাসায়নিক পদার্থ থাকে তার মধ্যে রয়েছে নিকোটিন, আর্সেনিক, মিথেন, কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি। ধূমপানের ফলে সৃষ্ট নিকোটিন এবং অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান একজন ধূমপায়ীকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সিগারেটের ধোঁয়ার নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। সিগারেটের ধোঁয়ার CO ট্রাকিয়া ও ব্রঙ্কাসের সিলিয়াকে অবশ করে দেয়। আর মিলিয়া অবশ হয়ে গেলে ট্রাকিয়ায় মিউকাস জমে প্রদাহের সৃষ্টি হয় যা ব্রঙ্কাইটিস নামে পরিচিত। সিগারেটের ধোঁয়ায় অ্যালভিওলাসের প্রাচীরে যে ক্ষতি হয় তার ফলে অ্যালভিওলাসের আয়তন বেড়ে যায় এবং কোনো কোনো স্থান ফেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে। এ অবস্থাকে এমফাইসেমা বলে।
পরিশেষে বলা যায় যে, নিয়মিত ধূমপানের কারণে একজন ধূমপায়ীর ব্রঙ্কাইটিস, এমফাইসেমা, এবং ফুসফুসে ক্যান্সারসহ নানাবিধ মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়।
উদ্দীপকে নির্দেশিত 'Q' হচ্ছে দেহকোষ। ফুসফুস থেকে রক্ত গ্রহণ করে তা কোষে পৌছে দেয়। কোষ ব্যবহার করে শক্তি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে তৈরি করে। এই আবার রক্ত দ্বারা ফুসফুসে ফিরে আসে এবং পরিবেশে নির্গত হয়। নিচে রক্তের মাধ্যমে গ্যাসের পরিবহন পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো-
কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহনে রক্তের ভূমিকা: রক্ত কোষীয় শ্বসনে উৎপন্ন ফুসফুসে পৌঁছে দেয় এবং তা শ্বাস ত্যাগের মাধ্যমে বাইরে নির্গত হয়। রক্ত প্রধানত তিনটি উপায়ে কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে। যথা-
i.ভৌত দ্রবণরূপে: কিছু পরিমাণ (৫%) -এর সাথে রক্তের প্লাজমার পানির বিক্রিয়ায় কার্বনিক এসিড উৎপন্ন হয়ে রক্তে পরিবাহিত হয়।
ii. কার্বামিনো যৌগরূপে: লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন অংশের অ্যামিনো গ্রুপের সাথে যুক্ত করে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বামিনো প্রোটিন গঠন করে। মোট -এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বামিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়।
iii. বাইকার্বনেট যৌগরূপে: -এর বেশির ভাগই (৬৫%) রক্তে বাইকার্বনেটরূপে পরিবাহিত হয়। এটি রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।