A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৬১🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

আদর্শ দৈহিক ওজনের ২০% বা তারও বেশি পরিমাণ মেদ দেহে সঞ্চিত হয়ে অস্বাভাবিকভাবে মুটিয়ে যাওয়াই হলো স্থূলতা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

রাসায়নিক পরিপাক হলো এমন একটি পরিপাক প্রক্রিয়া, যেখানে খাদ্যের অণুগুলো এনজাইমের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সরল, শোষণযোগ্য অণুতে পরিণত হয়। রাসায়নিক পরিপাক মূলত মুখ, পাকস্থলি ও ক্ষুদ্রান্ত্রে ঘটে। এখানে বিভিন্ন এনজাইম কাজ করে খাদ্য উপাদানগুলিকে হজমযোগ্য রূপে ভেঙ্গে ফেলে। যেমন- প্রোটিন ভেঙ্গে অ্যামাইনো এসিড, শর্করা ভেঙ্গে গ্লুকোজ এবং চর্বি ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত “C” অংশটি হলো অগ্ন্যাশয়। নিচে অগ্ন্যাশয়ের গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো-

অগ্ন্যাশয়ের গঠন: অগ্ন্যাশয় উদরগহ্বরের পাকস্থলির নিচে ডিওডেনাম ও প্লিহার সঙ্গে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। এটি দেখতে লম্বাটে, চ্যাপ্টা আকৃতির গোলাপি-ধূসর বর্ণের নরম মাংসল প্রকৃতির গ্রন্থি। এটি দেখতে অনেকটা মরিচ বা পাতার মতো। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১২ - ১৫ সেন্টিমিটার ও চওড়ায় প্রায় ৫ সেন্টিমিটার। অগ্ন্যাশয় মস্তক, দেহ ও লেজ এই তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। মস্তক অংশটি চওড়া ও এটি ডিওডেনামের সঙ্গে যুক্ত থাকে। লেজ অংশটি সরু ও প্লিহা পর্যন্ত বিস্তৃত। মস্তক ও লেজের মাঝের অংশটিকে দেহ বলে। অগ্ন্যাশয়ের এনজাইম নিঃসরণকারী গ্রন্থিগুলো থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালিকা বের হয়ে একত্রিত হয় এবং প্রধান অগ্ন্যাশয় নালি বা উইর্সাং নালি গঠন করে।

কাজ: অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। এজন্য একে মিশ্রগ্রন্থি বলা হয়। বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে বিভিন্ন এনজাইম যেমন- অ্যামাইলেজ, মল্টেজ, ট্রিপসিন, কাইমেট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি ক্ষরণ করে যা শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে পরিপাক করে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে ইনসুলিন ও গ্লুকাগণ হরমোন নিঃসৃত করে যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত “A” ও “B” অংশটি দ্বারা যথাক্রমে যকৃৎ ও পিত্তথলিকে বুঝানো হয়েছে। যকৃৎ ও পিত্তথলি সম্মিলিতভাবে পরিপাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। যকৃতের নিচের অংশ পিত্তথলি সংলগ্ন থাকে। এখানে পিত্তরস জমা হয়। পিত্তরস গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। পিত্তরসের মধ্যে পানি, পিত্তলবণ, কোলেস্টেরল ও খনিজ লবণ প্রধান। এই রস পিত্তথলিতে জমা থাকে।

প্রয়োজনে ডিওডেনামে এসে পরোক্ষভাবে পরিপাকে অংশ নেয়।পিত্তরসে কোনো উৎসেচক বা এনজাইম থাকে না। যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেনরূপে সঞ্চয় করে রাখে। পিত্তরস খাদ্যের অম্লভাব প্রশমিত করে এবং ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই পরিবেশ খাদ্য পরিপাকের অনুকূল। কেননা আম্লিক পরিবেশে খাদ্য পরিপাক হয় না। পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে যা লাইপেজ সহযোগে পরিপাকে সহায়তা করে। অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও অ্যামোনিয়ারূপে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহজাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে। এভাবেই উদ্দীপকে চিহ্নিত A ও B অংশ অর্থাৎ যকৃৎ ও পিত্তথলি পরিপাকে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”