A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — প্রাণীর পরিচিতি🔢 সৃজনশীল নং ৯০🏫 বোর্ড রাজশাহী বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচনতন্ত্রই হলো- শিখা কোষ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ীগণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি এই ৩টি পদের সমন্বয়ে বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে. ত্রিপদ নামকরণ বলে। পাখী বিজ্ঞানী Schlegel (1844) সালে প্রথম ত্রিপদ নামকরণ প্রণয়ন করেন। যেমন- Passer domesticus niloticus. (নীলনদ এলাকার চড়ুই পাখি)।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra-র যৌন জনন সাধারণত শীতকালে বা শরৎকালে অর্থাৎ প্রতিকূল পরিবেশে সংঘটিত হয়। নিচে Hydra-র যৌন জনন পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো-Hydra-র যৌন যৌন প্রজনন তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। যথা- ১. জনন কোষ সৃষ্টি ২. নিষেক এবং ৩. পরিস্ফুটন।

১. জননকোষ সৃষ্টি গ্যামেটোজেনেসিস:
স্পার্মাটোজেনেসিস: প্রজনন ঋতুতে Hydra-র বহিঃত্বকের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষগুলো দ্রুত বিভাজিত হয়ে দেহের উপরের দিকে এক বা একাধিক মোচাকৃতির শুক্রাশয় সৃষ্টি করে। শুক্রাশয়ে বিদ্যমান কিছু ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ শুক্রাণু মাতৃকোষ হিসেবে কাজ করে। কোষগুলো বারবার মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে স্পার্মাটোগোনিয়া সৃষ্টি করে। পরে এগুলো বৃদ্ধি লাভ করে স্পার্মাটোসাইটে পরিণত হয়। প্রত্যেক স্পার্মাটোসাইট মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে চারটি করে হ্যাপ্লয়েড স্পার্মাটিড (n) উৎপন্ন করে। প্রতিটি স্পার্মাটিড পরিণত হয়ে মস্তক ও লেজযুক্ত শুক্রাণুতে পরিণত হয়।

উওজেনেসিস: প্রজনন ঋতুতে Hydra-র বহিঃত্বকের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষগুলো দ্রুত বিভাজিত হয়ে দেহের নিচের দিকে এক বা একাধিক ডিম্বাশয় গঠন করে। ডিম্বাশয়ে বিদ্যমান ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ ডিম্বাণু মাতৃকোষ হিসেবে কাজ করে। কোষগুলো মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে উত্তগোনিয়া গঠন করে। এদের মধ্যে কেন্দ্রের দিকে একটি কোষ বড় হয়ে উওসাইটে পরিণত হয় এবং ছোট কোষগুলোকে গলধঃকরণ করে। এটি তখন মিয়োসিস বিভাজন ঘটিয়ে ৩টি ক্ষুদ্র পোলার বডি ও ১টি বড় সক্রিয় উওটিড সৃষ্টি করে। উওটিডটি রূপান্তরিত হয়ে ডিম্বাণুতে পরিণত হয়।
২. নিষেক: শুক্রাণু পরিণত হলে শুক্রাশয়ের প্রাচীর বিদীর্ণ করে বাইরে বের হয়ে আসে এবং সাঁতার কেটে ডিম্বাশয়ের কাছে যায়। একাধিক শুক্রাণু ডিম্বাণুর আবরণ ভেদ করলেও একটি মাত্র শুক্রাণুর নিউক্লিয়াসই ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের সাথে একীভূত হয়ে নিষেক সম্পন্ন করে একটি ডিপ্লয়েড জাইগোট (2n) গঠন করে।

৩. পরিস্ফুটন: জাইগোট নানা ধরনের পরিস্ফুটন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থাৎ মরুলা, ব্লাস্টুলা, গ্যাস্টুলা, সিস্ট এবং হাইড্রলা দশা অতিক্রম করে একটি পূর্ণাঙ্গ Hydra-য় পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো Cnidaria পর্বের দ্বিস্তরী প্রাণী Hydra। Hydra কীভাবে অন্যান্য মাংসাশী প্রাণীর ন্যায় পরিপাক সম্পন্ন করে তা নিজের ভাষায় লেখা হলো-

হাইড্রার দেহে বিশেষ কোনো খাদ্য গহ্বর না থাকায় সিলেন্টরন বা খাদ্য গহ্বর গ্রন্থি ও পুষ্টি কোষের সাহায্যে খাদ্য পরিপাক সম্পন্ন করে। হাইড্রার খাদ্য পরিপাক দুটি ধাপে সম্পন্ন হয় যথা-বহিঃকোষীয় পরিপাক ও অন্তঃকোষীয় পরিপাক।

বহিঃকোষীয় পরিপাক: এটি কোষের বাইরে সংঘটিত পরিপাক ক্রিয়া।খাদ্য সিলেন্টেরনে পৌছার সঙ্গে সঙ্গে মুখছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্তঃত্বকীয় গ্রন্থিকোষগুলো সক্রিয় হয়। প্রথমে কোষগুলো বড় ও দানাদার হয়ে উঠে এবং এনজাইম ক্ষরণ করে। প্রথমে এনজাইমের প্রভাবে শিকারের মৃত্যু ঘটে। দেহপ্রাচীরের প্রবল সংকোচন-প্রসারণের ফলে শিকারটি ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। এ সময় অন্তঃত্বকীয় কোষের ফ্ল্যাজেলা সঞ্চালিত হয়ে খাদ্যকণাকে এনজাইমের সাথে ভালোভাবে মিশ্রিত করে। গ্রন্থিকোষ থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে খাদ্যকণা পরিপাক হতে থাকে। পেপসিন নিঃসৃত হয়ে প্রোটিনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। তবে বহিঃকোষীয় পরিপাকে লিপিড ও শর্করা খাদ্যাংশের কোনো পরিবর্তন হয় না। এসব খাদ্যের ক্ষেত্রে অন্তঃকোষীয় পরিপাক ঘটে।

অন্তঃকোষীয় পরিপাক: অন্তঃকোষীয় পরিপাকের ক্ষেত্রে দেহের। সংকোচন-প্রসারণের ফলে খাদ্য আরও ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। তখন পেশি-অন্তঃআবরণীর ক্ষণপদীয় কোষগুলো ক্ষণপদ বের করে কিছু কিছু খাদ্যকণা সামান্য তরল পদার্থের সাথে কোষীয় ভক্ষণ প্রক্রিয়ায় গলাধঃকরণ করে। খাদ্যকণা তখন কোষের অভ্যন্তরে খাদ্য গহ্বরে সাইটোপ্লাজম থেকে নিঃসৃত এনজাইমের সাহায্যে পরিপাক হয়। খাদ্যগহ্বরের মাধ্যমে খাদ্য প্রথমে আম্লিক হয়, পরে ক্ষারীয় অবস্থা ধারণ করে। ট্রিপসিন নামক এনজাইম পলিপেপটাইডকে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে। লাইপেজ এনজাইম লিপিডকে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে এবং অ্যামাইলেজ শর্করাকে গ্লুকোজে পরিণত করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৫ – প্রাণীর পরিচিতি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”