| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ রংপুর ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – জীবপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:
চিত্র-X: টিস্যুর লম্বচ্ছেদ
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১১
ভিন্ন বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত দুটি উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাস্ট পাশাপাশি রেখে তাদের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে টিস্যু কালচার প্রয়োগ করে যে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করা হয় তাকে সোমাটিক হাইব্রিড বা সাইব্রিড বলে।
জিনগত বৈশিষ্ট্য ভিন্ন দুটি উদ্ভিদের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরাগায়ন ঘটিয়ে প্রকরণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো কৃত্রিম সংকরায়ন। এজন্য যে উদ্ভিদকে মাতা হিসেবে ব্যবহার করা হবে তার পরাগধানী পরিণত হওয়ার আগেই পুংকেশর কেটে বাদ দিতে হয়, যাকে বলা হয় ইমাস্কুলেশন। যদি এটা না করা হয় তাহলে এতে স্বপরাগায়ন ঘটে যেতে পারে এবং কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের সঞ্চারন ঘটানো সম্ভব হবে না। এ কারণেই কৃত্রিম সংকরায়নে ইমাস্কুলেশন প্রয়োজন।
উদ্দীপকের হচ্ছে উদ্ভিদের কাণ্ডের শীর্ষমুকুল। কাণ্ডের শীর্ষমুকুল অধিক বিভাজনক্ষম তাই টিস্যু কালচারের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। নিচে A অর্থাৎ কাণ্ডের শীর্ষমুকুলকে ব্যবহার করে টিস্যু কালচারের পদ্ধতিটি চিত্রের সাহায্যে দেখানো হলো:
উদ্দীপকের A, B ও C হলো যথাক্রমে শীর্ষস্থ, নিবেশিত এবং পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু। নিচে মধ্যে তুলনা করা হলো: