A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — কোষ বিভাজন🔢 সৃজনশীল নং ৭১🏢 প্রতিষ্ঠান সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে ধরনের মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় সপুষ্পক উদ্ভিদের স্পোর তৈরি হয় তাকে স্পোরোজেনিক মিয়োসিস বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোষ বিভাজনের প্রোফেজ দশার একবারে শেষ দিকে উদ্ভিদকোষে কতকগুলো তন্তুময় প্রোটিনের সমন্বয়ে এবং প্রাণিকোষে সেন্ট্রিওল থেকে দু'মেরুযুক্ত স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টি হয়। এ স্পিন্ডল যন্ত্রের আঘাতে নিউক্লিয়ার আবরণী বিলুপ্ত হয়ে যায়। স্পিন্ডল তন্তুর সাথে সেন্ট্রোমিয়ারের কাইনেটোকোর মটর প্রোটিন যুক্ত হয়। যাতে ক্রোমোসোম বিভাজিত হয়ে বিপরীত মেরুতে পৌঁছে স্বতন্ত্র কোষ সৃষ্টি করতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র-A প্রক্রিয়াটি হলো কোষচক্র। নিচে এর ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো-
১. ইন্টারফেজ বা প্রস্তুতিমূলক দশা তিন ভাগে বিভক্ত-

i. G1 দশা ( Gap1, phase): একটি কোষ পরবর্তীতে বিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবে কিনা, তার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় G1 উপপর্যায়। G1-এর প্রথমেই সাইক্লিন নামক এক প্রকার প্রোটিন তৈরি হয় যা CDK এর সাথে যতুক্ত হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়ার গতি ত্বরান্বিত ও নিয়ন্ত্রক করে। CDK ফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রোটিন, RNA এবং DNA রেপ্লিকেশনের সকল উপাদান তৈরি হয়। যে কোষটি আর বিভাজিত হবে না তা এক সপ্তাহ বা এক বছর অর্থাৎ আমৃত্যু G1 উপপর্যায়েই আবদ্ধ হয়ে যায়। মোট কোষ চক্রের ৩০-৪০% সময় এ উপপর্যায়ে ব্যয় হয়।

ii. S দশা: এ উপর্যায়ের প্রধান কাজ হলো, নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোমস্থ DNA সূত্রের রেপ্লিকেশন। পরবর্তী উপ-পর্যায়ে প্রবেশের আগেই DNA রেপ্লিকেশন সম্পন্ন হয়। এ উপ-পর্যায়ে সময় ব্যয় হয় মোট সময়ের ৩০-৫০ ভাগ। DNA সংশ্লেষণ ঘটে S দশায়।

iii. G2 দশা (Gap2,phase): এটি হলো M-phase-এ (মাইটোসিস দশা) প্রবেশ করার প্রস্তুতি পর্যায়। এ উপপর্যায়ের প্রধান কাজ হলো মাইক্রোটিউবিউল গঠনকারী পদার্থ সংশ্লেষণ যা দিয়ে মাইটোসিস পর্যায়ে স্পিন্ডল তন্তু তৈরি হয়। একটি সেন্ট্রোসোম থেকে দুটি সেন্ট্রোসোম-এ পরিণত হয়। সেন্ট্রোসোম মাইক্রোটিউবিউল তৈরি সূচনা করে। এ উপপর্যায়ে মোট সময়ের ১০- ২০ ভাগ সময় ব্যয় হয়।

২. M-phase বা মাইটোটিক ফেজ কোষচক্র G2 ফেজ থেকে -মাইটোসিস বা বিভাজন পর্যায়ে প্রবেশ করে। একটি জটিল প্রক্রিয়ায় নিউক্লিয়াসের বিভাজন ও পুনঃগঠন, সাইটোপ্লাজমের নতুন দুই কোষে গমন, সেলমেমব্রেন এবং উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর গঠনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টির মধ্যদিয়ে M-phase সমাপ্ত হয়। কোষ চক্রের মোট সময়ের মাত্র ৫ - ১০ ভাগ সময় ব্যয় হয় মাইটোটিক ফেজের জন্য। এভাবেই ইন্টারফেজ → M-ফেজ→ ইন্টারফেজ চক্রাকারে চলতে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের চিত্র-B দ্বারা ক্রসিংওভার প্রক্রিয়াকে বুঝানো হয়েছে। জীবদেহের বৈচিত্র্য আনয়নে মিয়োসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া তথা ক্রসিং ওভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

যে কোষ বিভাজনে ক্রোমোসোম একবার এবং নিউক্লিয়াস দুইবার বিভাজন হয় তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলে । মায়োসিস কোষ বিভাজনের পাকাইটিন উপপর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড বিভিন্ন স্থানে ইংরেজি ′X′ অক্ষরের ন্যায় যুক্ত থাকে। এখানে ক্রসিং ওভার ঘটে। মায়োসিস কোষে নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে। বংশগতিতে বিশেষত প্রকরণ সৃষ্টিতে এটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। মায়োসিস হলো জীবসমূহের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টির একটি প্রধান উপায়।

 মায়োসিসের ফলে জননকোষ (গ্যামিট) উৎপন্ন হয়, তাই যৌন জননক্ষম জীবে মায়োসিস না ঘটলে বংশবৃদ্ধি অসম্ভব।প্রজাতিতে বংশানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা কেবলমাত্র এ প্রক্রিয়ার জন্যই সম্ভব হচ্ছে। হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদে জাইগোটে এবং ডিপ্লয়েড উদ্ভিদে জনন মাতৃকোষে মায়োসিস না ঘটলে পিতা-মাতা হতে সন্তান-সন্ততিতে ক্রমাগতভাবে পুরুষানুক্রমে ক্রোমোসোম সংখ্যা দ্বিগুণ, চারগুণ, আটগুণ, ষোলগুণ এভাবে বৃদ্ধি পেয়ে জীবজগতে একটি আমূল পরিবর্তন করেই ঘটে যেতো এবং পরিণামে জীবজগৎ ধ্বংস হয়ে যেতো।ক্রোমোসোম সংখ্যা সঠিক রাখার মাধ্যমে বংশানুক্রমে প্রতিটি প্রজাতির স্বকীয়তা রক্ষিত হচ্ছে এ বিভাজনের মাধ্যমে । পৃথিবীর প্রায় সাতশ কোটি মানুষ একই প্রজাতিভুক্ত হয়েও একজন অন্যজন থেকে ভিন্নতর।একই প্রজাতির দুটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে পার্থক্যও জীববৈচিত্র্যের অন্তর্গত। যৌন প্রজননক্ষম দুটি জীব কখনও হুবহু একরকম হয় না । মিয়োসিস প্রক্রিয়ায় জননকোষ সৃষ্টিকালে ক্রসিংওভারের কারণে মাতাপিতার ক্রোমোসোমের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে, ফলে জীবের মধ্যে আসে বৈচিত্র্য। কারণ ক্রসিংওভারের ফলে ক্রোমোসোমের খণ্ডাংশের বিনিময় ঘটে। ফলে ক্রোমোসোমে নতুন জিন সংযোজন হয় । আর জিনের সংযোজন ও অবস্থানের কারণে প্রত্যেক অপত্য জীবের বংশপরম্পরায় - ভিন্নতা আসে। ফলে নতুন প্রজন্মে বৈচিত্র্যতা আসে। অর্থাৎ পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জীবদেহে সৃষ্ট বৈচিত্র্যতার মূল কারণ হচ্ছে ক্রসিংওভার যা মিয়োসিস কোষ বিভাজনে সংঘটিত হয়।

 অতএব বলা যায় যে, জীবদেহের বৈচিত্র্য আনয়নে মিয়োসিস কোষ বিভাজনের ভূমিকা অপরিসীম।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ সরকারি আজিজুল হক কলেজ ২০২৫ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”