| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ সিলেট বোর্ড ২০২৫ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
বিপাকীয় শক্তির সহায়তায় ঘনত্বক্রমের বিরুদ্ধে আয়ন শোষণের প্রক্রিয়াই হলো সক্রিয় শোষণ।
ATP অণুতে প্রচুর শক্তি মজুদ থাকে, এটি রাসায়নিক শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। কোনো জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শক্তির প্রয়োজন হলে ATP তা সরবরাহ করে। এজন্য ATP-কে কোষের জৈবিক মুদ্রা বা শক্তি মুদ্রা (Biological coin বা Energy coin) বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত "R" দ্বারা পত্ররন্দ্র বা স্টোম্যাটাকে বুঝানো হয়েছে। পত্ররন্দ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার কারণ বিভিন্ন বিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। নিচে পত্ররন্দ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে আধুনিক মতবাদ বা প্রোটন প্রবাহ মতবাদটি ব্যাখ্যা করা হলো-
This answer is currently being prepared and will be uploaded shortly. Please check back later.
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি হলো প্রস্বেদন প্রক্রিয়া। প্রস্বেদন প্রক্রিয়া উদ্ভিদদেহের এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পত্ররন্দ্রের মাধ্যমে উদ্ভিদের অধিকাংশ প্রস্বেদনই ঘটে থাকে। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার কারণে উদ্ভিদের জাইলেম বাহিকায় টান পড়ে, ফলে উদ্ভিদের মূলরোম মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়। এই পানি উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ সালোকসংশ্লেষণে যে এর প্রয়োজন হয় তা পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই কোষে প্রবেশ করে এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। সুতরাং পত্ররন্ধ্রে অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। অন্যদিকে,উদ্ভিদদেহে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া শ্বসনেও পত্ররন্দ্র সরাসরি অংশগ্রহণ করে থাকে। শ্বসন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ এবং বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে। উৎপাদিত এ শক্তি উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজের গতিকে অব্যাহত রাখে। প্রস্বেদন পাতাকে অত্যধিক গরম হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং উপযুক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পরিবেশের তাপমাত্রা কোনো কারণে বৃদ্ধি পেলে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায় এবং তাপমাত্রা কমে গেলে প্রস্বেদনের হারও কমে যায়। এভাবেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদদেহের ও পরিবেশের তাপমাত্রার ভারসম্য বজায় রাখে।