| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ সিলেট এমসি কলেজ ২০২৬ – রক্ত ও সংবহন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৪
ঐচ্ছিক পেশি হলো ঐসব পেশি, যা প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং দেহের অঙ্গ সঞ্চালনে সহায়তা করে।
একটি কশেরুকা যখন তার নির্দিষ্ট গঠনগত সবকটি অংশ (যেমন- সেন্ট্রাম, নিউরাল আর্চ এবং বিভিন্ন প্রসেস) নিয়ে গঠিত হয়, তখন তাকে আদর্শ কশেরুকা বলে। এটি মূলত মেরুদণ্ডের একটি একক হাড় যা সুষুম্নাকাণ্ডকে সুরক্ষা দেয় এবং দেহকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। থোরাসিক কশেরুকাকে সাধারণত আদর্শ কশেরুকার উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।
একটি কশেরুকা যখন তার নির্দিষ্ট গঠনগত সবকটি অংশ (যেমন- সেন্ট্রাম, নিউরাল আর্চ এবং বিভিন্ন প্রসেস) নিয়ে গঠিত হয়, তখন তাকে আদর্শ কশেরুকা বলে। এটি মূলত মেরুদণ্ডের একটি একক হাড় যা সুষুম্নাকাণ্ডকে সুরক্ষা দেয় এবং দেহকে সোজা রাখতে সাহায্য করে। থোরাসিক কশেরুকাকে সাধারণত আদর্শ কশেরুকার উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।
উদ্দীপকের চিত্রটি মানুষের হৃৎপিণ্ড, যা মানবদেহের সংবহনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। নিচে মানবদেহে এর কার্যক্রমের ভূমিকা বর্ণনা করা হলো-
মানুষের জীবন ধারণের জন্য হৃৎপিন্ডের ভূমিকা অপরিহার্য কারণ এটি একটি স্বয়ংক্রিয় পাম্পের মতো কাজ করে শরীরের প্রতিটি কোষে রক্ত পৌছে দেয়। হৃৎপিণ্ড মূলত চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, যা অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্তকে আলাদা রেখে মিশ্রণ রোধ করে। এর নিরবচ্ছিন্ন সংকোচন (সিস্টোল) ও প্রসারণের (ডায়াস্টোল) মাধ্যমেই রক্ত সংবহন প্রক্রিয়া সচল থাকে। দেহের উপরিভাগ ও নিম্নভাগ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত ডান অলিন্দে জমা হয় এবং সেখান থেকে ডান নিলয়ে পৌঁছায়। এরপর পালমোনারী ধমনির মাধ্যমে এই রক্ত ফুসফুসে গিয়ে পরিশোধিত হয় এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে। পরিশোধিত রক্ত পালমোনারী শিরার মাধ্যমে বাম অলিন্দে ফিরে আসে এবং শক্তিশালী বাম নিলয়ের সংকোচনের মাধ্যমে মহাধমনি বা অ্যাওর্টার সাহায্যে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হৃৎপিন্ডের এই কার্যক্রমে কপাটিকা বা ভালভগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা রক্তের একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং রক্তকে বিপরীত দিকে ফিরে যেতে বাধা দেয়। রক্ত প্রবাহের মাধ্যমেই শরীরের প্রতিটি কোষে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, হরমোন এবং অক্সিজেন পৌছায়, যা কোষীয় বিপাক ও শক্তি উৎপাদনে সরাসরি সহায়তা করে। একইসাথে হৃৎপিণ্ড শরীর থেকে বিপাকীয় বর্জ্য এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণে পরিবহনের কাজ সম্পন্ন করে শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বা হোমিওস্ট্যাসিস বজায় রাখে। হৃৎপিন্ডের ছন্দবদ্ধ স্পন্দন বা হার্টবিট আমাদের জীবনের অস্তিত্বের সংকেত বহন করে, যার সামান্য বিচ্যুতি বা অকার্যকারিতা মানুষের তাৎক্ষণিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
সুতরাং, উদ্দীপকের এই অঙ্গটি কেবল রক্ত সঞ্চালনই করে না, বরং এটি মানুষের সামগ্রিক শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম সচল রাখার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে।