| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৩
কার্বোহাইড্রেট ছাড়া অন্যান্য পদার্থ (অ্যামিনো এসিড, পাইরুভিক এসিড ইত্যাদি) থেকে গ্লুকোজ কিংবা গ্লাইকোজেন সংশ্লেষিত হওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় গ্লুকোনিওজেনেসিস।
স্তন্যপায়ী প্রাণিদের মধ্যে দাঁতের সংখ্যা ও ধরন যে সংকেতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে দন্ত সংকেত বা ডেন্টাল ফর্মুলা বলে। মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত থাকে। একটি সরল রেখার উপর ও নিচে বিভিন্ন প্রকার দাঁতের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর লিখে ঐ ধরনের দাঁত প্রতি চোয়ালের অর্ধাংশে কয়টি আছে তা লেখা হয়।
মানুষের দন্ত সংকেত হচ্ছে-
=16+16=32
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো অগ্ন্যাশয়। অগ্ন্যাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি। নিচে অগ্ন্যাশয়ের গঠন বর্ণনা করা হলো-
অগ্ন্যাশয়ের গঠন: অগ্ন্যাশয় উদরগহ্বরের পাকস্থলির নিচে ডিওডেনাম ও প্লিহার সঙ্গে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। এটি দেখতে লম্বাটে, চ্যাপ্টা আকৃতির গোলাপি-ধূসর বর্ণের নরম মাংসল প্রকৃতির গ্রন্থি। এটি দেখতে অনেকটা মরিচ বা পাতার মতো। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১২ – ১৫ সেন্টিমিটার ও চওড়ায় প্রায় ৫ সেন্টিমিটার। অগ্ন্যাশয় মস্তক, দেহ ও লেজ এই তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। মস্তক অংশটি চওড়া ও এটি ডিওডেনামের সঙ্গে যুক্ত থাকে। লেজ অংশটি সরু ও প্লিহা পর্যন্ত বিস্তৃত। মস্তক ও লেজের মাঝের অংশটিকে দেহ বলে। অগ্ন্যাশয়ের এনজাইম নিঃসরণকারী গ্রন্থিগুলো থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালিকা বের হয়ে একত্রিত হয় এবং প্রধান অগ্ন্যাশয় নালি বা উইর্সাং নালি গঠন করে। অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা উভয় প্রকার গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত অঙ্গটি হলো অগ্ন্যাশয়। এটি খাদ্য পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শর্করা ও আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে অগ্ন্যাশয়ের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
অগ্ন্যাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি। এটি একদিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি অপরদিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরিত হয়। অগ্ন্যাশয় রসে প্রোটিন, শর্করা ও লিপিড পরিপাককারী নানাবিধ এনজাইম থাকে।
শর্করা পরিপাক:
১. অ্যামাইলেজ এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন জাতীয় জটিল শর্করাকে মল্টোজে পরিণত করে।
২. মল্টেজ এনজাইম মল্টোজ জাতীয় শর্করাকে গ্লুকোজে পরিণত করে।
আমিষ পরিপাক:
১. ট্রিপসিন: এ এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোন জাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে।
২. কাইমোট্রিপসিন: এনজাইম প্রোটিওজ ও পেপটোন জাতীয় আমিষ অণুকে পলিপেটাইডে পরিণত করে।
৩. কার্বক্সিপেপটাইডেজ: এ এনজাইম পলিপেপটাইডের প্রান্তীয় লিঙ্কেজকে সরল-পেপটাইড ও অ্যামিনো এসিডে রূপান্তরিত করে।
৪. অ্যামিনোপেপটাইডেজ: এ এনজাইম পলিপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।
৫. ট্রাইপেপটাইডেজ: এ এনজাইম ট্রাইপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।
৬. ডাইপেপটাইডেজ: এ এনজাইম ডাইপেপটাইডকে ভেঙে অ্যামিনো এসিডে পরিণত করে।
৭. কোলাজিনেজ: এ এনজাইম কোলাজেন জাতীয় প্রোটিনকে সরল পেপটাইডে রূপান্তরিত করে।
৮. ইলাস্টেজ: এ এনজাইম যোজক টিস্যুর প্রোটিন ইলাস্টিনকে ভেঙে পেপটাইড উৎপন্ন করে।
লিপিড পরিপাক :
১. লাইপেজ এনজাইম চর্বি (লিপিড) কে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিডে রূপান্তরিত করে।
২. কোলেস্টেরল এস্টারেজ এনজাইম কোলেস্টেরল এস্টারকে ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিডে পরিণত করে।