A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৮৩🏢 প্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো:

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পিত্তরসে অবস্থিত পিত্তলবণ-এর প্রভাবে চর্বির ক্ষুদ্র বিন্দুগলো ভেঙে সাবানের ফেনার মত অতি ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ইমালসিফিকেশন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

গ্লুকোজের চাহিদার তুলনায় যদি গ্লাইকোজেনের ঘাটতি হয়। তখন নন-কার্বোহাইড্রেট (অশর্করা) উৎস যেমন- অ্যামাইনো এসিড, ল্যাকটিক এসিড, পাইরুভিক এসিড এবং গ্লিসারল থেকে গ্লুকোজ বা গ্লাইকোজেন সংশ্লেষিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় গ্লুকোনিওজেনেসিস। এ প্রক্রিয়া যকৃত, অস্থিকোষ ও বৃদ্ধে সংঘটিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি গ্লুকাগন হরমোন দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়। একে গ্লাইকোনিওজেনেসিসও বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত "A" অংশটি হলো অগ্ন্যাশয় যা মিশ্রগ্রন্থি নামে পরিচিত। নিচে অগ্ন্যাশয়ের গঠন বর্ণনা করা হলো-
অগ্ন্যাশয়ের গঠন: অগ্ন্যাশয় উদরগহ্বরের পাকস্থলির নিচে ডিওডেনাম ও প্লিহার সঙ্গে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। এটি দেখতে লম্বাটে, চ্যাপ্টা আকৃতির গোলাপি-ধূসর বর্ণের নরম মাংসল প্রকৃতির গ্রন্থি। এটি দেখতে অনেকটা মরিচ বা পাতার মতো। এটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১২ – ১৫ সেন্টিমিটার ও চওড়ায় প্রায় ৫ সেন্টিমিটার। অগ্ন্যাশয় মস্তক, দেহ ও লেজ এই তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। মস্তক অংশটি চওড়া ও এটি ডিওডেনামের সঙ্গে যুক্ত থাকে। লেজ অংশটি সরু ও প্লিহা পর্যন্ত বিস্তৃত। মস্তক ও লেজের মাঝের অংশটিকে দেহ বলে। অগ্ন্যাশয়ের এনজাইম নিঃসরণকারী গ্রন্থিগুলো থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালিকা বের হয়ে একত্রিত হয় এবং প্রধান অগ্ন্যাশয় নালি বা উইসাং নালি গঠন করে। অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা উভয় প্রকার গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় অগ্ন্যাশয়কে মিশ্র গ্রন্থি বলা হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত "B" চিহ্নিত অংশটি হলো ক্ষুদ্রান্ত্র। নিচে ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য পরিপাক পদ্ধতি বিশ্লেষণ করা হলো-
যান্ত্রিক পরিপাক: মিউসিন খাদ্যকে পিচ্ছিল করে, পিত্তরস জীবাণুর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। পিত্তলবণগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের পেশি সংকোচন বাড়িয়ে খাদ্যের গতিকে বৃদ্ধি করে।
রাসায়নিক পরিপাক: ক্ষুদ্রান্ত্রে অগ্ন্যাশয় রস থেকে নিঃসৃত এনজাইমগুলো হলো- ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন, কার্বোক্সিপেপটাইডেজ, অ্যামিনোপেপটাইডেজ, ডাইপেপটাইডেজ, ইলাস্টেজ। এরা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।

আন্ত্রিক রসের অ্যামিনোপেপটাইডেজ পলিপেপটাইডকে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে আমিষ জাতীয় খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক সম্পন্ন কর।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”