| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের চিত্রটি লক্ষ…’ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৬ – সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো:
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৮
দুটি নিউরনের সংযোগস্থল-ই হলো সিন্যাপস।
পিটুইটারি গ্রন্থি চোখের পেছনে মস্তিষ্কের পাদদেশে অবস্থান করে। পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি কিন্তু কাজের দিক দিয়ে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গ্রন্থি। পিটুইটারি গ্রন্থি হতে নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা যেমন বেশি, অন্যদিকে বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। এ গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনগুলো অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে পিটুইটারি গ্রন্থিকে মাস্টার গ্লান্ড বা প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-M অঙ্গটি হলো মানব চক্ষু। নিচে মানব চক্ষুর লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো-
উদ্দীপকের "N" অংশটি হলো মানব কর্ণের অন্তঃকর্ণ এর ককলিয়া। অন্তঃকর্ণের ককলিয়া মানুষের শ্রবণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বহিঃকর্ণের পিনায় সংগৃহীত শব্দতরঙ্গ বহিঃঅডিটরি মিটাসে প্রবেশ করে টিমপেনিক পর্দাকে আঘাত করলে তা কেঁপে উঠে। কাঁপনে মধ্যকর্ণে অবস্থিত ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস অস্থি তিনটি এমনভাবে আন্দোলিত হয় যার ফলে প্রথমে ফেনেস্ট্রা ওভালিসের পর্দা ও পরে অন্তঃকর্ণের ককলিয়ার পেরিলিম্ফে কাঁপন সৃষ্টি হয়। পেরিলিম্ফে কাঁপন হলে ককলিয়ার অর্গান অব কর্টি-র সংবেদী রোম কোষগুলো উদ্দীপ্ত হয়ে স্নায়ু আবেগের সৃষ্টি করে। এ আবেগ অডিটরি স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের শ্রবণকেন্দ্রে বাহিত হলে মানুষ শুনতে পায়। এরপর বাকি শব্দতরঙ্গ ফেনেস্ট্রা রোটান্ডা পর্দার মাধ্যমে মধ্যকর্ণে চলে আসে এবং প্রশমিত হয়ে যায়। মাত্রা অনুযায়ী শব্দ উচ্চ, মধ্যম ও নিম্নমাত্রায় হয়ে থাকে। এসব মাত্রা গ্রহণের জন্য ককলিয়ার স্ক্যালা মিডিয়ায় বিশেষ স্থান রয়েছে। যেমন- উচ্চমাত্রা গ্রহণে ফেনেস্ট্রা রোটান্ডা সংলগ্ন অংশ। মধ্যম মাত্রা গ্রহণে মাঝামাঝি অংশ এবং নিম্নমাত্রা গ্রহণে শীর্ষের কাছাকাছি অংশ। নিচে শ্রবণের রূপরেখা দেখানো হলো-