| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের তথ্যগুলো লক্ষ…’ ২০২৬ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের তথ্যগুলো লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের 1 মোল চার্জ নিরপেক্ষ বিচ্ছিন্ন পরমাণুর প্রত্যেকটির সাথে একটি করে মোট 1 মোল ইলেকট্রন পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তরে যুক্ত হয়ে। মোল একক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত গ্যাসীয় আয়ন সৃষ্টি করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তা হলো ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি।
সাধারণ অণুতে পোলারিটি বিদ্যমান। পোলারিটির ফলে অণুতে হাইড্রোজেন বন্ধনের সৃষ্টি হয়। হাইড্রোজেন বন্ধন সৃষ্টির ফলে অণুসমূহ পরস্পরকে আকৃষ্ট করে সংবদ্ধ অবস্থায় থাকে। ফলে সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হয়।
কিন্তু অণুতে পোলারিটি সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়, ফলে সংবদ্ধ আকারে থাকতে পারে না। তাই গ্যাসীয় হয়।
সুতরাং, A ও B মৌল দুটি যথাক্রমে কপার (Cu) ও স্ক্যানডিয়াম (Sc)। Cu ও Sc মৌলদ্বয়ের মধ্যে Cu রঙীন যৌগ গঠন করলেও Sc মৌলটি রঙিন যৌগ গঠন করে না। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলোউদ্দীপকের Cu মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
সুতরাং আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাস :
ইলেকট্রন বিন্যাস অনুসারে অর্থাৎ আয়নটিতে বহিঃস্থ শেলে অসম্পূর্ণ d-অরবিটাল রয়েছে। এ ধাতব আয়নের পাঁচটি
d-অরবিটালের শক্তি সমান। কিন্তু জটিল আয়ন গঠনকালে আয়নের d-অরবিটাল ও লিগ্যান্ডের অরবিটালের মধ্যে বিকর্ষণ হওয়ায় আয়নের d-অরবিটালের মধ্যে কিছুটা শক্তির পার্থক্য সৃষ্টি হয়। এ নন-ডিজেনারেট অবস্থায় d-অরবিটালগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি পৃথক শস্তিস্তরে বিভক্ত হয়ে যায়।
এখন জলীয় আয়নে দৃশ্যমান আলো পড়লে আয়নের dঅরবিটালের ইলেকট্রনগুলো দুটি শক্তিস্তরের পার্থক্য পরিমাণ শক্তি ( AE ) নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে কাছাকাছি শক্তির dঅরবিটালে স্থানান্তরিত হয়। দৃশ্যমান আলোর অবশিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত হয় যার বর্ণ শোষিত আলোকের বর্ণের সম্পূরক হয়। অর্থাৎ আয়ন এ বর্ণই (নীল) ধারণ করে। কাজেই বা আয়নের d অরবিটাল আংশিকভাবে পূর্ণ হওয়ার দরুন d-d স্থানান্তর সম্ডব হয় বলে আয়ন নীল বর্ণযুক্ত হয়।
অপরদিকে, Sc এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ
Sc এর স্থিতিশীল জারণ মান + 3। অর্থাৎ এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
দেখা যাচ্ছে যে, আয়নের d অরবিটালে কোনো ইলেকট্রন নেই। তাই Sc অবস্থান্তর মৌল নয়। যেহেতু Sc অবস্থান্তর মৌল নয়, সেহেতু Sc রঙিন যৌগ গঠন করে না।
ঘা উদ্দীপকের তথ্যমতে, (i) ও (ii) যৌগ দুটি যথক্রমে ও । যৌগ দুটির আকৃতি একই রকম হবে না। নিচে তা যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
অণুর আকৃতি : এর কেন্দ্রীয় পরমাণু N এর সংকরণ প্রকারের। এর সংকরণের ফলে চারটি সমতুল্য সংকর অরবিটাল সৃষ্টি হয়। এ চারটি সংকর অরবিটালের তিনটি অরবিটাল হাইড্রোজেনের অরবিটাল দ্বারা অধিক্রমিত হবে এবং চর্তুর্থ অরবিটালে একজোড়া নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন থাকবে। এ কারণে অণুর আকৃতি সংকরণ্ড হওয়া সত্ত্বেও ত্রিকোণাকার পিরামিডীয় এবং লোনপেয়ার ও বন্ডপেয়ার বিকর্ষণ এর কারণে বন্ধন কোণ চতুস্তলকের বন্ধন কোণ অপেক্ষা তত্ত্বীয়ভাবে কম হরে। অণুস্থ কোণের পরীক্ষালব্ধ মান হয় ।
অণুর আকৃতি : যৌগের B এর বিন্যাসস্বাভাবিক অবস্থায় : B(5) →
স্বাভাবিক অবস্থা :
এক্ষেত্রে উৎপন্ন তিনটি সংকর অরবিটাল একটি ত্রিভুজের তিন শীর্ষবিন্দুর দিকে প্রসারিত হয়ে পরস্পর কোণ গঠন করে। এরা নিম্নরূপে তিনটি F পরমাণুর এক ইলেকট্রন বিশিষ্ট অরবিটালের সাথে অধিক্রমণের ফলে তিনটি B - F সমযোজী বন্ধন সৃষ্টি করে এবং অণু গঠিত হয়। এর আকৃতি হয় সমতলীয় ত্রিভুজাকার।
চিত্র : ত্রিভুজ আকৃতির অণুর গঠন ( সংকরণ) সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ও যৌগ দুটির আকৃতি ভিন্ন।