নিচের উদ্দীপকগুলো লক্ষ কর :
(i) বোরতত্ত্ব অনুযায়ী ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত বৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তন করে। নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তনকালে ইলেকট্রন কোনো শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এরূপ একটি ইলেকট্রন
(ii) X মৌলের দুটি আইসোটোপ হলো
[আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা]
পারমাণবিক ভর অনুসারে তিনটি করে মৌলকে সাজালে দ্বিতীয় মৌলের পারমাণবিক ভর প্রথম ও তৃতীয় মৌলের পারমাণবিক ভরের যোগফলের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি, যাকে ডোবেরাইনারের ত্রয়ীসূত্র বলা হয়।
যে সমযোজী যৌগে পোলারিটির সৃষ্টি হয়, তাকে পোলার যৌগ বলে। ফ্লুরিনের তড়িৎঋণাত্মকতা হাইড্রোজেন অপেক্ষা বেশি। তাই এ শেয়ারকৃত ইলেকট্রনযুগল $$F পরমাণুর দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়। ফলে পরমাণুতে আংশিক ঋণাত্মক প্রাপ্ত এবং পরমাণুতে আংশিক ধনাত্মক প্রান্তের সৃষ্টি হয়। এ কারণে পোলার যৌগ। -
এখানে,
গতিশক্তি
ইলেকট্রনটির ভর,
ইলেকট্রনের বেগ,
জানা আছে,
গতিশক্তি
বা, গতিশক্তি
এখানে,
আমরা জানি, কৌণিক ভরবেগ,
বা,
সুতরাং, (i) নং এ উল্লেখিত ইলেকট্রনের কক্ষপথের ব্যাসার্ধ
দেওয়া আছে,
এর পরিমাণ
এর পরিমাণ
সুতরাং, এর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
দেওয়া আছে, নিউট্রন সংখ্যা
আমরা জানি, ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা
বা, প্রোটন সংখ্যা
বা, প্রোটন সংখ্যা
অর্থাৎ, মৌলটির প্রোটন সংখ্যা তথা পারমাণবিক সংখ্যা: ১।
সুতরাং, মৌলটি বোরন (B)।
