A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি দেখো…’ ২০২৪ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৪৬📅 সাল ২০২৪⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের উদ্দীপকটি দেখো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে শাখায় স্থূলতার কারণ, প্রতিরোধ, চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাই হলো বেরিয়াট্রিকস।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অন্ত্রপ্রাচীরের মিউকোসা স্তরে কতগুলো এককোষী গ্রন্থি খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম ক্ষরণ করে। এগুলো হচ্ছে- শোষণক্ষম কোষ, গবলেট কোষ, প্যানেথ কোষ, আর্জেনট্যাফিন কোষ, লিবারক্যুন-এর গ্রন্থি এবং ব্রুনার-এর গ্রন্থি। এসব গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসকে আন্ত্রিক রস বা সাক্কাস ইন্টেরিকাস বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' অংশটি হলো পাকস্থলি এবং এর প্রাচীরে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি বিদ্যমান। পাকস্থলি এবং অন্ত্রের অসংখ্য সনালি গ্ৰন্থি প্রোটিয়েজ এনজাইম তৈরি করে। প্রোটিয়েজ দ্বারা পাকস্থলির লুমেনে আমিষ পরিপাক হলেও এরা নিজে পরিপাক হয় না। কারণ পাকস্থলিতে নিঃসৃত এনজাইমগুলো নিস্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। পাকস্থলির প্রাচীর মিউকাস দ্বারা আবৃত থাকে। ফলে এনজাইমগুলো সরাসরি কোষের সংস্পর্শে আসতে পারে না। আবার কোষের এন্টিএনজাইম পাকস্থলির প্রাচীরস্থ কোষের উপর বিভিন্ন এনজাইমকে ক্রিয়া করতে বাধা দেয়। তাই পাকস্থলিতে HCI দ্বারা খাদ্য পরিপাক হলেও পাকস্থলি নিজে পরিপাক হয় না। 
পাকস্থলিতে খাদ্য পরিপাক: 
পাকস্থলিতে খাদ্যবস্তু পরিপাক শুরু হয়। গলবিল থেকে খাদ্যবস্তু পাকস্থলিতে প্রবেশ করলে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিক রসের সাথে মিশ্রিত হয়। গ্যাস্ট্রিক রসে মিউসিন, HCI এবং খাদ্য পরিপাককারী বিভিন্ন ধরনের এনজাইম, যেমন- প্রোটিন পরিপাকীয় এনজাইম (পেপসিন) ও লিপিড পরিপাকীয় এনজাইম (লাইপেজ) থাকে। মিউসিন খাদ্যবস্তুর সঙ্গে মিশে খাদ্যবস্তুকে নমনীয় ও পিচ্ছিল করে। HCI খাদ্যের জীবাণুকে ধ্বংস করে এবং পেপসিনোজেনকে পেপসিনে পরিণত করে। পাকস্থলিতে পেপসিনের উপস্থিতিতে প্রোটিন পরিপাক হয়ে পেপটোন, প্রোটিওজ ও কিছু পলিপেপটাইডে পরিণত হয়। অনেক সময় পাকস্থলিতে দুগ্ধ প্রোটিন ক্যাসিন রেনিনের উপস্থিতিতে প্যারাক্যাসিনে এবং তা পেপসিনের উপস্থিতিতে পেপটোন ও প্রোটিওজে পরিণত হয়। এছাড়া এখানে লাইপেজ লিপিডকে ভেঙ্গে মনোগ্লিসারাইড, ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। পাকস্থলিতে কার্বোহাইড্রেট পরিপাকের কোনো এনজাইম না থাকায় সাধারণত কার্বোহাইড্রেটের পরিপাক ঘটে না।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের 'B' অংশটিকে অগ্ন্যাশয় বলা হয়। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য পরিপাকে অগ্ন্যাশয়ের ভূমিকা নিচে বিষদ আলোচনা করা হলো-

খাদ্য পাকস্থলি থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে যাওয়ার সময় ক্ষারীয় তরলরূপী অগ্ন্যাশয় রস নিঃসৃত হয় । অগ্ন্যাশয়ের বহিঃক্ষরা অংশ থেকে দুধরনের ক্ষরণ মিলে অগ্ন্যাশয় রস গঠন করে। (১) পরিপাক এনজাইম এবং (২) একটি ক্ষারীয় তরল। এ রসে যে ৩টি প্রধান এনজাইম থাকে তা হচ্ছে অ্যামাইলেজ, লাইপেজ ও প্রোটিয়েজ। অ্যামাইলেজ স্টার্চকে ভেঙ্গে ক্ষুদ্রতর কার্বোহাইড্রেট ও চিনির অণুতে পরিণত করে। লাইপেজ পিত্তলবণের উপস্থিতিতে ফ্যাটকে ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে। প্রোটিন বিশ্লেষকারী বিভিন্ন এনজাইম (প্রোটিয়েজ) পেপটাইড অণুকে ক্ষুদ্রতর পেপটাইডে পরিণত করে। দেহে অধিকাংশ প্রোটিন পরিপাক হয় অগ্ন্যাশয় রসের বিভিন্ন প্রোটিয়েজের মাধ্যমে । অগ্ন্যাশয়ের বহিঃক্ষরা অংশ যেসব প্রোটিয়েজ ক্ষরণ করে তার মধ্যে প্রধান দুটি হচ্ছে ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন । এগুলো বড় প্রোটিন অণুকে ভেঙ্গে ক্ষুদ্রতর পেপটাইডে পরিণত করে। 
অগ্ন্যাশয়ের বহিঃক্ষরা অংশ থেকে অগ্ন্যাশয় রসের অংশ হিসেবে ক্ষরিত হয় বাইকার্বনেট আয়ন। পাকস্থলিতে আংশিক পাচিত খাদ্য (অর্থাৎ কাইম) গ্যাস্ট্রিনের কর্মকাণ্ডে অতিমাত্রায় অম্লিক থাকে। বাইকার্বনেটের প্রকৃতি ক্ষারীয় হওয়ায় অর্ধপাচিত খাদ্য নিরপেক্ষ হয়ে যায়। অগ্ন্যাশয় রস এভাবে অম্ল-ক্ষারের সাম্য, পানিসাম্য, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি দেখো…’ ২০২৪ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”