A. Nayan
A. Nayan
25 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, ঢাকা📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো-

উত্তর:

খাদ্য শিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রপিক লেভেল বলে

উত্তর:

ধাঙড় হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী। এরা জীবন্ত প্রাণীর চেয়ে মৃত প্রাণীর মাংস বা আবর্জনা খেতে বেশি পছন্দ করে। কাক মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার করে। এজন্য কাককে ধাঙড় বলা হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'A' হলো লাইকেন যা শৈবাল ও ছত্রাকের সমন্বয়ে তৈরি। একে মিউচুয়ালিজম আন্তঃসম্পর্ক বলে। মিউচুয়ালিজম হলো একটি ধনাত্বক আন্তঃসম্পর্ক, যেখানে সহযোগীদের উভয়ই উপকৃত হয়। নিচে মিউচুয়ালিজম আন্তঃসম্পর্কটি ব্যাখ্যা করা হলো-শৈবাল এবং ছত্রাকের মধ্যে মিউচুয়ালিজম হলো একটি মিথোজীবী বা পারস্পরিক সম্পর্ক, যা লাইকেন নামে পরিচিত। এখানে ছত্রাক শৈবালকে আশ্রয় প্রদান করে এবং বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প গ্রহণ করে এবং খনিজ লবণ স্বরবরাহ করে। ছত্রাকের মাইসেলিয়াম শৈবালকে পরিবেশগত ক্ষতি ও শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
অপরদিকে, শৈবাল তার ক্লোরোফিলের মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের জন্য এবং ছত্রাকের জন্য শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। অর্থাৎ উভয়ই উপকৃত হয়। এজন্য শৈবাল ও ছত্রাকের (লাইকেন) সহাবস্থানকে মিউচুয়ালিজম বলা হয়। উভয়ের মধ্যে এই সহযোগিতা তাদের বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' দ্বারা ক্রোমোজোমকে বুঝানো হয়েছে। প্রতিটি প্রজাতির বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় টিকে থাকতে ক্রোমোজোমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম, ক্রোমোজোমে DNA ও প্রোটিন থাকে, যা জিনের বৈশিষ্ট্যের তথ্য বহন করে। ক্রোমোজোমের প্রধান কাজ হলো সন্তান-সন্ততির মধ্যে মাতাপিতার বৈশিষ্ট্য বহন করে নিয়ে যাওয়া। ক্রোমোজোমের মধ্যে থাকে DNA আর DNA-তে থাকে জিন। এই জিনই কোনো প্রজাতির রঙ, আকার, গঠন, স্বভাব, বৃদ্ধি ইত্যাদি সব বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। ফলে বাবা-মার বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে পৌঁছে যায়। প্রতিটি প্রজাতির একটি নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম সংখ্যা থাকে (যেমন- মানুষের ৪৬টি)। মিয়োসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয় এবং নিষেকের পরে আবার পূর্বের সংখ্যা ফিরে আসে। মিয়োসিসের ফলে ক্রোমোজোমে ক্রসিংওভার ঘটে ফলে বংশপরম্পরায় পিতামাতার বৈশিষ্ট্য সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
অতএব বলা যায় যে, ক্রোমোজোম জিন বহন করে, তা সঠিকভাবে বণ্টন করে, প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির রাখে, বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে প্রজাতির বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় টিকিয়ে রাখে।

10 Views
No Comments
Share
1
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ২০২৬ – জীবকোষ ও টিস্যু, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”