| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ বৈশিষ্ট্য ২০২৪ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
|
গ্রুপ |
বৈশিষ্ট্য |
কাজ |
|
P |
সমব্যাসযুক্ত জীবিত কোষগুচ্ছ |
বৃদ্ধি |
|
Q |
জীবিত ও মৃত কোষগুচ্ছ |
পানি ও খনিজ লবণ পরিশোষণ |
|
R |
জীবিত ও মৃত কোষগুচ্ছ |
খাদ্য পরিবহন |
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
উদ্ভিদের বাইরের স্তরকে এপিডার্মিস বলে।
Hydathode বা পানি-পত্ররন্ধ এক বিশেষ
ধরনের পানি নির্মোচন অঙ্গ।বিশেষ পরিস্থিতিতে উত্তিন দেহ থেকে পানি এই রন্ধ্রের মাধ্যমে পরিতাক্ত হয় বলে এই রন্ধ্রপথকে পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড বলে।
ঘসে, কচু, টমেটো ইত্যাদি গাছের পাতার কিনারায়
মাটিতে প্রচুর পানি থাকলে এবং আবহাওয়া অতিরিক্ত আর্দ্র থাকলে সাধারণত এমনটি ঘটে। এর শীর্ষে রক্ষীকোষে আবদ্ধ একটি বন্ধ থাকে। রন্ধের নিচে একটি গহ্বর থাকে। গহ্বরের নিচে অনেকগুলো অসংলগ্ন কোষ থাকে, এগুলোকে বলা হয় এপিথেম বা এপিথেলিয়াম এপিথেলিয়ামের ঠিক নিচে ট্রাকিডের শেষপ্রান্ত অবস্থিত। মূলজ চাপে পানি ট্রাকিডের শেষপ্রান্ত দিয়ে এপিথেলিয়ামের মাধ্যমে বিন্দু আকারে বদ্ধপথে জমা হয়। ভোরে এসব জল বিন্দু দেখা যায়। হাইডাথোড দিয়ে তরল পানি বের হয়ে যাওয়াকে গাটেশন বলে।
উদ্দীপকের P হলো ভাজক টিস্যু। যে কোষগুলো বিভাজিত হয় তা হলো ভাজক কোষ, আর ভাজক কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুই ভাজক টিস্যু।কোষগুলো জীবিত,অপেক্ষাকৃত ছোট এবং সমব্যাসীয়।
কর্মপ্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুকে নিম্নলিখিত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
(ক) প্রোটোডার্ম (Protoderm): যে ভাজক টিস্যুর কোষসমূহ উদ্ভিদদেহের ত্বক সৃষ্টি করে তাকে প্রোটোডার্ম বলে। মূল, কাণ্ড ও এদের শাখা-প্রশাখার ত্বক (এপিডার্মিস বা এপিরেমা) সৃষ্টি করা হলো প্রোটোডার্ম-এর কাজ।
(খ) প্রোক্যাম্বিয়াম (Procambium): ক্যাম্বিয়াম, জাইলেম ও ফ্লোয়েম সৃষ্টিকারী ভাজক টিস্যুকে প্রোক্যাম্বিয়াম বলে। পরিবহন টিস্যু সৃষ্টি করাই প্রোক্যাম্বিয়ামের কাজ।
(গ) গ্রাউন্ড মেরিস্টেম (Ground meristem): শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুর যে অংশ বারবার বিভাজিত হয়ে উদ্ভিদ দেহের মূল ভিত্তি তথা কর্টেক্স, মজ্জা ও মজ্জা রশ্মি সৃষ্টি করে তাকে গ্রাউন্ড মেরিস্টেম বলে।
P ও Q হলো জীবিত ও মৃত কোষগুচ্ছ।উদ্দীপকের P পানি ও খনিজ লবণ পরিশোষণ করে যা জাইলেম কে নির্দেশ করে ,অপরদিকে Q খাদ্য পরিবহণ করে যা ফ্লোয়েম কে নির্দেশ করে । উদ্দীপকের 'Q' এবং 'R' এর অবস্থান ও গঠন উদ্ভিদের অঙ্গভেদে ভিন্ন।
উদ্ভিদমূলে এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদকাণ্ডে ভাস্কুলার বান্ডলগুলো সাধারণত বৃত্তাকারে সাজানো থাকে, তবে একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে এরা কর্টেক্সের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থান করে।
|
মূল |
কান্ড |
|
মূলত্বকের বাইরে কিউটিকল থাকে না।
মূলরোম সর্বদাই এককোয়ী হয়।
মূলত্বকে সাধারণত পত্ররন্ধ্র (স্টোম্যাটা) থাকে না।
কর্টেক্স তুলনামূলকভাবে বেড়
অধঃত্বক অনুপস্থিত।
মূলে অন্তঃত্বক বিদ্যমান এবং বৃত্তাকার। কোষের পার্শ্ব প্রাচীর স্থুল।
ভাস্কুলার বান্ডল সবসময়ই অরীয়।
মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে থাকে। অর্থাৎ জাইলেম এক্সার্ক।
পরিচক্র সর্বদাই উপস্থিত এবং একস্তরবিশিষ্ট। |
কাণ্ডত্বকের বাইরে কিউটিকল থাকে।
কাওরোম সাধারণত বহুকোষী হয়।
কাণ্ডত্বকে সাধারণত পত্ররন্ধ্র (স্টোম্যাটা) থাকে।
কর্টেক্স অপেক্ষাকৃত ছোট।
অধঃত্বক উপস্থিত।
কাণ্ডে অন্তঃত্বক থাকলে (একবীজপত্রী উদ্ভিদকাণ্ডে অনুপস্থিত) সাধারণত ঢেউ খেলানো। কোষের পার্শ্ব প্রাচীর স্থুল নয়।
কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত, সমপার্শ্বীয় অথবা সমদ্বিপার্শ্বীয়।
মেটাজাইলেম পরিধির দিকে এবং প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে থাকে। অর্থাৎ জাইলেম এন্ডার্ক।
পরিচক্র বহুস্তরবিশিষ্ট (দ্বিবীজপত্রী) অথবা, অনুপস্থিত (একবীজপত্রী)। |