A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — অণুজীব🔢 সৃজনশীল নং ৪৩🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর:

অণুজীব ‘X’: অকোষীয় DNA বা RNA বিদ্যমান। এটি কেলাসিত করা যায়।

অণুজীব ‘Y’: কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান শেপটিডোগ্লাইকান।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

নিউক্লিক এসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাকে ভিরিয়ন বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত সংক্রামক রোগ। এ রোগের ভাইরাস হলো ফ্লাভি ভাইরাস। লক্ষণ অনুসারে এ রোগ ৩ প্রকার যথা: (ক) সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর (খ) হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর (গ) ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরের জটিলতা থেকে হেমোরেজিক ডেঙ্গু দেখা দেয়। এ অবস্থায় কয়েকদিন পরপর রোগীর নাক, মুখ, দাঁতের মাড়ি ও ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। রক্তের প্লাটিলেট খুব কমে যায়, রক্ত বমি হতে পারে, চোখে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'Y' দ্বারা নির্দেশিত অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া, কারণ এর কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান হলো পেপটিডোগ্লাইকান। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া হলো দ্বি-বিভাজন। এই প্রক্রিয়ায় একটি একক ব্যাকটেরিয়াল কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি অভিন্ন অপত্য কোষ তৈরি করে। প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত উপায়ে সম্পন্ন হয়-

১. ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোসোম তথা DNA ব্যাকটেরিয়া কোষের দুই প্রান্তের মাঝামাঝি অবস্থান নেয় এবং প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত হয়।
২. প্লাজমামেমব্রেনের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া কোষের DNA-অণুর প্রতিলিপন ঘটে।
৩. এ অবস্থায় কোষটি লম্বায় বৃদ্ধি পায়। কোষ প্রাচীর এবং প্লাজমামেমব্রেনের বৃদ্ধি কোষের দুই প্রান্তের মাঝখানে ঘটে থাকে।
৪. কোষ প্রাচীর ও প্লাজমামেমব্রেন লম্বায় বৃদ্ধির কারণে DNA রেপ্লিকা দুটি দুই দিকে পৃথক হয়ে যায়।
৫. লম্বায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষের মাঝখানে প্লাজমামেমব্রেন ক্রমশ ভেতরের দিকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে এবং একই সাথে ঐ অংশে কোষ প্রাচীর সংশ্লেষিত হতে থাকে। এক সময় একটি কোষ দুটি অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষে পরিণত হয়।
৬. শেষ পর্যায়ে টার্গার প্রেসারের কারণে নতুন সৃষ্ট অপত্য ব্যাকটেরিয়া কোষ দুটি পরস্পর হতে পৃথক হয়ে যায়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে 'X' দ্বারা নির্দেশিত অণুজীবটি হলো ভাইরাস। অন্যদিকে, 'Y' দ্বারা নির্দেশিত অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি বিশেষ করে ব্যাকটেরিওফাজের ক্ষেত্রে, ব্যাকটেরিয়ার ধ্বংসের মাধ্যমেই ঘটে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে লাইটিক চক্র (Lytic Cycle) বলা হয় এবং এর ধাপগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

১. সংযুক্তি:T2 ব্যাকটেরিওফায সাধারণত E.coli ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে থাকে। E.coli ব্যাকটেরিয়ামের কোষপ্রাচীরে ফায প্রোটিনের জন্য রিসেপ্টর সাইট থাকে। রিসেপ্টর সাইটের প্রোটিনের সাথে ফায ক্যাপসিডের স্পর্শক তন্তুর প্রোটিনের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ামের প্রাচীরে T2-ফায দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায়। এটি হলো আক্রমণের সূচনা।

২. স্পর্শকতন্তুর সংকোচন: এ পর্যায়ে স্পর্শকতন্তুর সংকোচনের ফলে বেসপ্লেটটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের সংস্পর্শে আসে।

৩ . ফায DNA অনুপ্রবেশ: এ সময় ফাযের লেজ থেকে লাইসোজাইম এনজাইম নিঃসৃত হয় যা ব্যাকটেরিয়া কোষপ্রাচীরের মিউকোপেপটাইড স্তরকে দ্রবীভূত করে একটি সূক্ষ্ম ছিদ্রের সৃষ্টি করে। এ ছিদ্রের মধ্য দিয়ে ফাযের DNA ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবেশ করে।

৪ . সংশ্লেষ বা অনুলিপন: ফায DNA পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর পোষক কোষের RNA পলিমারেজ ব্যবহার করে ফায় mRNA তৈরি করে। ফায mRNA পরে প্রোটিন তৈরি করে এবং একটি বিশেষ প্রোটিন E.coli DNA কে খন্ড-বিখন্ড করে নষ্ট করে দেয়। ফায DNA নিউক্লিওটাইড কোষের রাইবোসোম, tRNA, অ্যামাইনো অ্যাসিড ইত্যাদির কর্তৃত্ব গ্রহণ করে এবং নিজের ইচ্ছেমতো নতুন ফায DNA প্রতিলিপন করে নেয় এবং ফায কোট প্রোটিন তৈরি করে।

৫. বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া: পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রতিটি ফায DNA এক একটি কোট প্রোটিনের মাথার অংশে প্রবেশ করে। পরে ক্রমান্বয়ে মাথার অংশের সাথে লেজ, লেজের শেষ প্রান্তে স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাকটেরিওফায হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

৬. নতুন ভাইরাস মুক্তি বা লাইসিস: পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায লাইসোজাইম এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে 'বেরিয়ে আসে।

উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, ভাইরাস তার সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ব্যাকটেরিয়ার কোষীয় উপাদান ব্যবহার করে এবং শেষ পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়ার কোষকে ধ্বংস করে দেয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫ – অণুজীব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”