A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র🔢 সৃজনশীল নং ৪৯🏫 বোর্ড ঢাকা বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পানিরন্দ্র বা হাইডাথোডে একটি গহ্বর থাকে। গহ্বরের নিচে কতগুলো অসংলগ্ন প্যারেনকাইমা কোষ থাকে, এগুলোকে এপিথেম বা এপিথেলিয়াম বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অন্তঃত্বকের কোষগুলো ঘনসন্নিবিষ্ট ও পিপার ন্যায় আকৃতিবিশিষ্ট। এদের মধ্যে কোনো আন্তঃকোষীয় অবকাশ থাকে না। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে অন্তঃত্বক থাকলেও একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে তা থাকে না। তবে উভয় ধরনের মূলেই অন্তঃত্বক আছে। মূলের অন্তঃত্বকের প্রাচীরে সুবেরিন ও লিগনিন যুক্ত হয়ে সরু ফিতার ন্যায় স্তর সৃষ্টি হয়। ফিতার ন্যায় এ স্তরটির নাম ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ। বিজ্ঞানী Caspery এটি প্রথম শনাক্ত করেন বলেই এর নাম ক্যাসপেরিয়ান ফিতা বা স্টিপ। ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ, ভাস্কুলার বান্ডল ও তদসংলগ্ন কোষগুলো যেন পানি ও বায়ুতে আবদ্ধ হয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য অন্তঃত্বক বাঁধের মতো কাজ করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত টিস্যুতন্ত্র-P হলো ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র। ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র হলো উদ্ভিদের বাইরের স্তর যা উদ্ভিদকে রক্ষা করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। এটি মূলত দুই ধরনের টিস্যু নিয়ে গঠিত এবং কাজ ও অবস্থানের ভিত্তিতে এদের দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. এপিডার্মিস এবং ২. পেরিডার্ম। নিচে তা আলোচনা করা হলো-

১. এপিডার্মিস :
অবস্থান: উদ্ভিদের কান্ড, পাতা, মূল এবং ফুলের বাইরের স্তরে।
গঠন: একক স্তরের জীবন্ত কোষ, বেশিরভাগ কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না (পাতার গার্ড সেল ছাড়া)।
কাজ:
i. উদ্ভিদকে যান্ত্রিক ক্ষতি, রোগজীবাণু এবং অতিরিক্ত পানিক্ষারের হাত থেকে রক্ষা করা।
ii. পাতায় গ্যসের আদান-প্রদান এবং জলীয় বাষ্প নিষ্কাশনে সহায়তা করা (স্টোমাটা বা রন্দ্রের মাধ্যমে)।
iii. কিউটিকল নামক এক প্রকার মোমজাতীয় আবরণ সৃষ্টি করে যা পানিধারণে সহায়তা করে।

২.পেরিডাম:
অবস্থান : পূর্ণবিকশিত দ্বিবীজপত্রী কাষ্ঠল উদ্ভিদের কান্ড এবং মূলের বাইরের স্তর, যেখানে এপিডার্মিস ধ্বংস হয়ে যায়।
গঠন :
কর্ক বা ফেলেম: মৃতকোষ, সুবেরিনে আবৃত।
কর্ক ক্যাম্বিয়াম: দ্বিপার্শ্বিকভাবে কোষ বিভাজন করে কর্ক ও কর্ককোষ নির্মাণ করে।
কর্ক কোষ: জীবন্ত কোষ, কর্ক ক্যাম্বিয়ামের ভিতরের দিকে সৃষ্টি হয়।
কাজ:
i. গাছকে যান্ত্রিক রক্ষা প্রদান করা।
ii. অতিরিক্ত পানিক্ষয় প্রতিরোধ করা।
iii. লেন্টিসেল নামক ছিদ্র পথে গ্যাসের আদান-প্রদান সম্ভব করে তোলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লেখিত টিস্যুতন্ত্র-R দ্বারা জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুকে বুঝানো হয়েছে। জাইলেম ও ফ্লোয়েম দ্বারা গঠিত যে টিস্যুতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা হলো উদ্ভিদের সংবহনে অংশগ্রহণকারী টিস্যুগুচ্ছকে ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ বলে। উদ্ভিদ শনাক্তকরণে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের অবস্থানের ভিত্তিতে ভাস্কুলার বান্ডলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল, ২. অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল এবং ৩. কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বান্ডল। নিচে চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-

১. সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল: জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধের উপর একই গুচ্ছে যুক্তভাবে অবস্থান করলে তাকে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল বলে। সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডলকে আবার দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. সমপার্শ্বীয় এবং খ. সমদ্বিপার্শ্বীয়

ক. সমপার্শ্বীয়: বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধে পাশাপাশি অবস্থান করলে তাকে সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। আবার, জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মধ্যে যখন ক্যাম্বিয়াম থাকে তখন তাকে মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল এবং ক্যাম্বিয়াম না থাকলে তাকে বদ্ধ সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- সপুষ্পক উদ্ভিদের কান্ডে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়।
খ. সমদ্বিপার্শ্বীয়: যে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডলের মাঝখানে জাইলেম এবং তার উপর ও নিচ উভয় পাশে দুই খণ্ড ফ্লোয়েম টিস্যু থাকে তাকে সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন-দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ড (লাউ, কুমড়া ইত্যাদি)।

২. অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল: জাইলেম বান্ডল ও ফ্লোয়েম বান্ডল ভিন্ন ভিন্ন ব্যাসার্ধে পাশাপাশি অবস্থান করে তাকে অরীয় ভাস্কুলার, বান্ডল বলে। যেমন- সপুষ্পক উদ্ভিদের মূলে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা দেয়।
৩. কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বান্ডল: এক্ষেত্রে জাইলেম অথবা ফ্লোয়েম টিস্যুর যেকোনো একটি কেন্দ্রে থাকে এবং অন্যটি তাকে চারদিক থেকে ঘিরে অবস্থান করে। কেন্দ্রিক ভাস্কুলার বান্ডলকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. হ্যাড্রোসেন্ট্রিক: এক্ষেত্রে জাইলেম কেন্দ্রে থাকে এবং ফ্লোয়েম তাকে ঘিরে রাখে।
খ. লেন্ট্রোসেন্ট্রিক: এক্ষেত্রে ফ্লোয়েম কেন্দ্রে থাকে এবং জাইলেম তাকে ঘিরে রাখে।

উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর অবস্থানের ভিত্তিতে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ ঢাকা বোর্ড ২০২৫ – টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”