নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো-
জৈবনিকভাবে ভিন্ন কিন্তু গঠনগতভাবে এক, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যে যৌন জনন ঘটে তাই কনজুগেশন।
শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্য হলো-
১. প্রতিটি জীবের দল ও উপদল সম্বন্দ্বে জ্ঞান আহরণ করা।
২. জীবজগতের ভিন্নতার দিকে আলোকপাত করে আহরিত জ্ঞানকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা।
৩. পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা এবং প্রতিটি জীবকে শনাক্ত করে তার নামকরণের ব্যবস্থা করা।
৪. সর্বোপরি জীবজগৎ এবং মানবকল্যাণে প্রয়োজনীয় জীবগুলোকে শনাক্ত করে তাদের সংরক্ষণে সচেতন হওয়া।
উদ্দীপকের 'P' দ্বারা দ্বিপদ নামকরণকে বুঝানো হয়েছে। সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে দ্বিপদ নামকরণ প্রবর্তন করে। তিনি বলেন একটি জীবের দুটি অংশ বা পদ থাকে। প্রথম অংশটি তার গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতি নাম। দ্বিপদ নামকরণ লেখার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হয়। জীবের দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো-
১. দ্বিপদ নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
২. দ্বিপদ বৈজ্ঞানিক নামকে অনন্য হতে হবে। কারণ একই নাম দুই পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি নেই।
৩. দ্বিপদের বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি নাম। যেমন- Labeo rohita। এটি দ্বিপদ বৈজ্ঞানিক নাম, এখানে Labeo গণ এবং rohita প্রজাতিক পদ।
৪. দ্বিপদের বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড়ো অক্ষর হবে, বাকি অক্ষরগুলো ছোট অক্ষর এবং দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখতে হবে।
৫. দ্বিপদের বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় সর্বদা ইটালিক অক্ষরে লিখতে হবে। যেমন- Labeo rohita
৬. দ্বিপদের বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতিক নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে। যেমন- Labeo rohita
৭. বৈজ্ঞানিক নামের শেষে নামদানকারীর নাম (সাধারণত সংক্ষিপ্ত) ও প্রকাশের সাল লিখতে হয়। যেমন- Labeo rohita H, 1822 (এখানে H হেমিল্টনের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ)।
৮. যদি কয়েকজন বিজ্ঞানী দ্বিপদকে বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথম বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত Q দ্বারা প্লানটি রাজ্য এবং R দ্বারা অ্যানিমেলিয়া রাজ্যকে বুঝানো হয়েছে। নিচে প্লানটি ও অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের মধ্যে পার্থক্য বর্ণনা করা হলো-
