| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ২০২৫ – প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১
ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ধৃত ভিসেরাল পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত দেহ গহ্বরই হলো সিলোম।
নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে কোনো জীবের নামকরণে প্রথম গণের নাম এবং পরে প্রজাতির নাম ব্যবহার করে দুই শব্দের সমন্বয়ে যে নামকরণ করা হয় তাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।
জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী গণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি এই ৩টি পদের সমন্বয়ে বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে ত্রিপদ নামকরণ বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত X হলো প্রতিসাম্যতা। নিচে উদাহরণসহ প্রতিসাম্যতা বর্ণনা করা হলো-
অক্ষের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রাণীদেহের বিভিন্ন অংশের বিভাজন প্রকৃতিকে প্রতিসাম্য বলে। প্রাণিজগতে প্রধানত পাঁচ ধরনের প্রতিসাম্য দেখা যায়। যথা-
১. গোলীয় প্রতিসাম্য: যখন কোনো গোলাকার জীবদেহকে উহার কেন্দ্র বরাবর যে কোনো তলে সমান ও সদৃশ অংশে ভাগ করা যায় তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন: Volvox globator.
২. অরীয় প্রতিসাম্য: যখন কোনো প্রাণিদেহকে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর যে কোনো তলে সমান অংশে বিভক্ত করা যায় তখন তাকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন: Cnidaria ও Ctenophora.
৩. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: যখন কোনো প্রাণিদেহকে উহার মৌখিক ও এর বিপরীত অক্ষ বরাবর দুটি তলে সমানভাবে বিভক্ত করা যায় তখন তাকে দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন: Ctenophora ও Anthozoa.
৪. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: যখন কোনো প্রাণিদেহকে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর লম্বালম্বিভাবে কেবল একবার দুটি সমান অংশে ভাগ করা যায় তখন তাকে দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। যেমন: Arthropoda, Chordata.
৫. অপ্রতিসাম্য: যখন কোনো প্রাণিদেহকে উহার কেন্দ্রীয় অক্ষ বা অন্য কোনো তলে সমানভাবে বিভক্ত করা যায় না তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। যেমন: Pila globosa.
উদ্দীপকের উল্লেখিত Y হলো সিলোম। দেহের প্রতিটি অভ্যন্তরীণ গহ্বর সিলোম নয়। সিলোমের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি ও প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে প্রাণীদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। নিচে উদাহরণসহ তিন ধরনের সিলোম ব্যাখ্যা করা হলো-
১. সিলোমবিহীন প্রাণী: এদের সিলোম থাকে না। দেহগহ্বর
মেসেনকাইম ও পেশি দ্বারা পূর্ণ থাকে। উদাহরণ- Porifera, Cnidaria, Platyhelminthes পর্বের প্রাণী।
২. অপ্রকৃত সিলোমযুক্ত প্রাণী: এদের দেহগহ্বর মেসোডার্মাল
পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে না। দেহ গহ্বরের চারদিকে পেশিস্তর বিদ্যমান থাকে। উদাহরণ- Nematoda, Acanthocephala, Rotifera, Entroprocta পর্বের প্রাণী।
৩. প্রকৃত সিলোমযুক্ত প্রাণী: এদের দেহগহ্বর মেসোডার্মাল
পেরিটোনিয়াম আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে। এক্ষেত্রে দেহপ্রাচীর ও পৌষ্টিকনালি সংলগ্ন আবরণীকে যথাক্রমে প্যারাইটাল ও ভিসেরাল আবরণী বলে। উদাহরণ- Mollusca, Annelida, Echinodermata ও Chordata পর্বের প্রাণী।