| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ যশোর বোর্ড ২০১৭ – অর্থনৈতিক রসায়ন, রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৫
যদি কোনো যৌগের একই অণুতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক বিদ্যুৎ চার্জ বিরাজ করে তবে ঐ আয়নই জুইটার আয়ন।
যখন CFC অণুগুলো ধীরে ধীরে উপর দিকে স্ট্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে তখন CFC অণু UV-রশ্মি আলোক দ্বারা C – CI বন্ধন ভেঙে মুক্ত ইলেকট্রযুক্ত ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন করে। বিজোড় ইলেকট্রনযুক্ত CI পরমাণু বা মুক্তমূলক অধিক সক্রিয় হওয়ায় ওজোন অণু (O3) এর সাথে বিক্রিয়ায় প্রথমে ক্লোরিন মনোক্সাইড মুক্তমূলক (CIO) ও O2 উৎপন্ন করে। পরে CIO' মুক্তমূলক অক্সিজেন পরমাণুর সাথে বিক্রিয়া করে ০₂ অণু ও ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন করে। এভাবে 2 অণু 03 ভেঙে ও অণু O₂ তৈরি করে।
এভাবে CFC ওজোনস্তরকে ধ্বংস করে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত কাঁচামালটি চামড়া। সুতরাং উদ্দীপকের চামড়ার কাঁচামালটির ট্যানিং এ Na2Cr2O7 ও H₂SO₄ এর ভূমিকা সমীকরণসহ নিচে দেওয়া হলো- চামড়ার ওজোনের উপর ভিত্তি করে ট্যানিং এর সময় এতে Na2Cr2O7 ও H2SO4 যোগ করা হয়। চামড়া এই Na2Cr2O7 কে শোষণ করে এবং চামড়ার উপর সর্বত্র হলুদ বর্ণ ধারণ করে। এ পর্যায়ে চামড়ার লিঙ্কেজ Cr দ্বারা পূর্ণ হয়ে Cr মৌল চামড়ার ভিতরের প্রোটিনের সাথে বন্ধন তৈরি করে জটিল Cr টেনিং চামড়া তৈরি করে থাকে। এরপর চামড়াকে প্যাডেল হতে তুলে এনে অতিরিক্ত লিকার অপসারণ করে ২য় প্যাডেলে নিয়ে নাড়াচাড়া করা হয়। ফলে চামড়ার হলুদ বর্ণ সম্পূর্ণভাবে অপসারিত হয়।
সম্পূর্ণভাবে হলুদ বর্ণ দূর না হওয়া পর্যন্ত এতে HCl যোগ করা হয়। হলুদ বর্ণ দূর হলে চামড়াকে দ্রবণ থেকে তুলে এনে শুকানো হয়। এতে H₂SO₄ যোগ করার কারণ এতে যে খাদ্য লবণ যোগ করা হয় তা সালফেট লবণ হিসেবে অপসারিত হয়। ফলে চামড়াকে ক্রোম টেনিংয়ের উপযোগী করে তোলে। শুকনো চামড়াকে গ্লুকোজ দ্রবণে ভিজানোর ফলে চামড়ার হলুদ বর্ণ দূর হয়ে যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি চামড়া শিল্প। এ শিল্পের প্রধান দূষকগুলো হলো- মারক্যাপটান, সালফাইড, C, রং, তেল, -লবণ, NaCl, H2SO4, অ্যালবুমিন, জৈব পদার্থের কঠিন কণা, দ্রবণীয় প্রোটিন ইত্যাদি। এসব বর্জ্য নদীতে গিয়ে পানি দূষণ করে পরে তা পরিবেশ দূষিত হয়। এ শিল্পের পরিবেশ দূষণে দূষকসমূহ দূরীকরণ সম্ভব। এ দূষকগুলো দূর করতে ETP পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। ETP এর কার্যপ্রণালি তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে হয়ে থাকে-
১. তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া: যেসব শিল্পে কারখানার বর্জ্য পানিতে ধাতুর আয়নের পরিমাণ বেশি থাকে, ঐসব ক্ষেত্রে বর্জ্য পানির ধাতব আয়ন পৃথক করার জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রয়োগ করা হয়। চামড়া শিল্পের Cr³+, Cr4⁺ প্রভৃতি আয়নকে এ প্রক্রিয়ায় পৃথক করা যায়।
২. প্রভাবন প্রক্রিয়া: বর্জ্য পানিতে বিদ্যমান ক্ষতিকর জৈব যৌগসমূহকে প্রভাবকের উপস্থিতিতে O₂ দ্বারা জারিত করে CO2, H₂O তে পরিণত করা হয়। জৈব N অ্যামোনিয়াম (NH₄+) অথবা NO₃- জৈব ফসফেট অর্থোফসফেট Cr2O42- যৌগটি Cr(OH)3 তে পরিণত হয়।
৩ . জীব প্রযুক্তি: জীব প্রযুক্তির মাধ্যমে চামড়া শিল্পের বর্জ্য পানিকে দূষণমুক্ত করা হয়ে থাকে। পানিতে ও ক্লোরিনেটেড দ্রব দ্রবণীয় থাকে। এছাড়া অনেক জৈব উপাদান বর্তমান থাকে। ব্যাকটেরিয়া এসবকে বিজারিত করতে পারে। পানির BOD জারণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। ফলে পানিতে দ্রবণীয় দূষকসমূহ পরিবর্তিত হয়ে ক্ষতি করে না এরূপ উপাদানে পরিবর্তিত হয়ে যায় যা সহজেই পানি থেকে অপসারণ করা যায়। এ
ভাবে ETP পদ্ধতির সাহায্যে চামড়া পরিবেশ দূষণে দূষকসমূহ দূরীকরণ করা হয়ে থাকে।