নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
(i)
(ii)
জীবদেহ বা জৈব অণুর রাসায়নিক বন্ধন ছিন্ন করার মাধ্যমে প্রাপ্ত শক্তিই হচ্ছে জীবনীশক্তি বা জৈবশক্তি।
সালোকসংশ্লেষণের জন্য সূর্যালোকের প্রয়োজন। তবে সব আলোতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না। আলোকবর্ণালির লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়। সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না। আবার 400 nm থেকে 480 nm এবং 680 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়। অন্যান্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সালোকসংশ্লেষণ তুলনামূলক কম ভালো হয়।
উদ্দীপকের (ii) নং প্রক্রিয়া হলো সবাত শ্বসন প্রক্রিয়া। নিচে সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় ১ অণু গ্লুকোজ থেকে উৎপন্ন ATP অর্থাৎ শক্তি উৎপাদন ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো-
সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় ১ অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র ও শেষে ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রের মাধ্যমে মোট ৩৮ অণু ATP তৈরি করে। যার হিসাব নিচের ছকের মাধ্যমে দেওয়া হলো-
এক্ষেত্রে :
১ অণু = ৩ অণু ATP
১ অণু = ২ অণু ATP
১ অণু GTP = ১ অণু ATP
এভাবে তিনটি ধাপে মোট ৩৮ অণু ATP উৎপন্ন হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত (1) ও (ii) প্রক্রিয়া দুটি হলো যথাক্রমে সালোকসংশ্লেষণ এবং শ্বসন। নিচে সালোকসংশ্লেষণ এবং শ্বসন এর মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
