A. Nayan
A. Nayan
18 Jun 2026 (3 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)


Listen to this article
🏢 প্রতিষ্ঠান: রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ📅 সাল: ২০২৬⭐ গুরুত্ব: ★★★★★

💡 সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো-

উত্তর:

কোষকঙ্কালের মাইক্রোটিউবিউল দিয়ে তৈরি স্পিন্ডলযন্ত্রের যে তত্ত্বগুলো এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত তাদেরকে স্পিন্ডল তত্ত্ব বলা হয়।

উত্তর:

মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম হলো সেই ক্রোমোজোম যার সেন্ট্রোমিয়ারটি ঠিক ক্রোমোজোমের মাঝখানে অবস্থান করে। মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ারটি এমনভাবে কেন্দ্রে থাকে যে ক্রোমোজোমের দুটি বাহু বা ক্রোমাটিড প্রায় সমান দৈর্ঘ্যের হয়। অ্যানাফেজ দশায় এই ক্রোমোজোমকে দেখতে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো দেখায়।

উত্তর:

উদ্দীপকের ধরন-B হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন, যা জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণে অপরিহার্য। এই বিভাজনকে সমীকরণিক বিভাজনও বলা হয়। কারণ অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের (2n) সমান থাকে। মাইটোসিস দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়; ক্যারিওকাইনেসিস বা নিউক্লিয়াসের বিভাজন এবং সাইটোকাইনেসিস বা সাইটোপ্লাজমের বিভাজন।
ক্যারিওকাইনেসিস পাঁচটি উপ-পর্যায় নিয়ে গঠিত:
প্রোফেজ: এই ধাপে ক্রোমোজোম খাটো ও মোটা হতে শুরু করে।
প্রো-মেটাফেজ: এই ধাপে স্পিন্ডল যন্ত্রের সৃষ্টি হয় এবং নিউক্লিয়ার পর্দা বিলুপ্ত হতে শুরু করে।
মেটাফেজ: ক্রোমোজোমগুলো কোষের বিষুবীয় অঞ্চলে সজ্জিত হয়।
অ্যানাফেজ: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হলে অপত্য ক্রোমোজোমগুলো বিপরীত মেরুর দিকে চলতে শুরু করে।
টেলোফেজ: বিপরীত মেরুতে নিউক্লিয়ার পর্দা ও নিউক্লিওলাসের পুনরায় আবির্ভাব ঘটে।
পরিশেষে বলা যায় যে, সাইটোকাইনেসিসের মাধ্যমে মাতৃকোষ থেকে সমান গুণসম্পন্ন দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়।

উত্তর:

উদ্দীপকে উল্লেখিত ধরন: A হলো মিয়োসিস এবং ধরন: B হলো মাইটোসিস। কোষ বিভাজন দুটির মধ্যে ধরন: A অর্থাৎ মিয়োসিস কোষ বিভাজন হলো জীবের জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টির জন্য দায়ী। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

মিয়োসিসকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়। কারণ এতে মাতৃকোষের (2n) ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস পেয়ে অপত্য কোষে (n) পরিণত হয়। এটি প্রধানত জনন কোষ (গ্যামেট) সৃষ্টির সময় ঘটে এবং যৌন জননকারী প্রাণীর বংশধরদের মধ্যে বৈচিত্র্য নিশ্চিত করে। মিয়োসিস মূলত ক্রসিংওভার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। মিয়োসিস-১ এর প্রোফেজ-১ উপ-পর্যায়ে, সমসংস্থ ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে জোড় বাঁধার পর, তাদের নন-সিস্টার ক্রোমাটিড অংশগুলোর মধ্যে জিনের বিনিময় ঘটে। এই প্রক্রিয়াকে ক্রসিংওভার বলা হয়। এর ফলে অপত্য ক্রোমোজোমে নতুন জিনের সজ্জা তৈরি হয়, যা পরবর্তী প্রজন্মে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।

অপরদিকে, মাইটোসিসের মাধ্যমে সৃষ্ট দুটি অপত্য কোষে মাতৃকোষের হুবহু একই ধরনের ক্রোমোজোম সেট এবং জেনেটিক তথ্য স্থানান্তরিত হয়। কোনো নতুন জিনের বিন্যাস তৈরি না হওয়ায়, এটি জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে কোনো ভূমিকা রাখে না।

10 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ২০২৬ – কোষ বিভাজন, জীববিজ্ঞান (এসএসসি)”