| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ…’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ ২০২৫ – জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ১১
জিনতত্ত্বের কোনো পরীক্ষায় যখন দুইজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় রেখে ক্রস বা সংকরায়ন ঘটানো হয় তখন তাকে দ্বি-সংকর ক্রস বলে।
মানুষের আদর্শ কশেরুকার চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো-
উদ্দীপকে R হলো পদ্ধতি। নিচে পদ্ধতির জিনৃতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
ফড়িং, ছারপোকা, অর্থোপ্টেরা ও হেটারোপ্টেরাভুক্ত পতঙ্গে পদ্ধতির লিঙ্গ নির্ধারণ হয়। এখানে স্ত্রী হোমোগ্যামেটিক অর্থাৎ সেক্স-ক্রোমোজোমবিশিষ্ট। কিন্তু পুরুষে Y ক্রোমোজোম অনুপস্থিত। স্ত্রীর ক্রোমোজোম ২ এবং পুরুষের ক্রোমোজোম ২ না থাকায় 'O' শূন্য লেখা হয়)। স্ত্রী হোমোগ্যামেটিক, কাজেই সমস্ত ডিম্বাণু একই ধরনের । কিন্তু পুরুষে দুধরনের গ্যামেট এবং উৎপন্ন হয়।
প্রথম প্রকারের শুক্রাণুর সাথে ডিম্বাণুর মিলনে স্ত্রী সন্তান ২, কিন্তু দ্বিতীয় প্রকার শুক্রাণুর সাথে ডিম্বাণুর মিলনে পুরুষ সন্তানের ২ সৃষ্টি হয়।
উদ্ভিদে সচরাচর এ ধরনের লিঙ্গ নির্ধারণ দেখা যায় না। তবে Dioscorea sinuata উদ্ভিদে এ ধরনের লিঙ্গ নির্ধারণ দেখা যায়।
উদ্দীপকের S হলো মেন্ডেলের ২য় সূত্রের ব্যাতিক্রম প্রকট এপিস্ট্যাসিস। নিচে এর জিনতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হলো-
ধরা যাক, সাদা লেগহর্নের রঙিন পালকের জন্য দায়ী প্রকট জিন = C এবং সাদা লেগহর্নের রঙিন পালকের বাধাদানকারী প্রকট জিন = I
অতএব, সাদা লেগহর্নের জিনোটাইপ = CCII এবং সাদা ওয়াইনডটের জিনোটাইপ = ccii.
অর্থাৎ, এক্ষেত্রে C হচ্ছে প্রকট হাইপোস্ট্যাটিক জিন এবং I প্রকট এপিস্ট্যাটিক জিন। সুতরাং একটি সাদা পালকযুক্ত লেগহর্ন এর সাথে সাদা পালকযুক্ত ওয়াইনডট এর ক্রম ঘটালে প্রথম বংশধরে ) সবগুলো শাবকই সাদা পালকযুক্ত পাওয়া যাবে। নিচে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে তা দেখানো হলো-
সুতরাং চেকার বোর্ড থেকে এটা স্পষ্ট যে জনুতে ১৬টি বাচ্চার মধ্যে ১৩টি সাদা ও ৩টি রঙিন হবে। যার অনুপাত দাঁড়ায় সাদা : রঙিন = ১৩: ৩; যা মেন্ডেলের ২য় সূত্রের ব্যতিক্রম।