| ㅤ | A. Nayan10 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ্য…’ ২০২৫ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ্য কর-
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৩
একটি বিক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য ন্যূনতম যে শক্তির প্রয়োজন তাকে সক্রিয়ণ শক্তি বলে।
3f অরবিটাল সম্ভব নয়। কারণ 3f অরবিটালের জন্য প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n) = 3, এবং সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা (l) = 0, 1, 2। আমরা জানি, l = 0, 1, 2 এর জন্য কেবল s, p ও d অরবিটাল সম্ভব। এজন্য 3f অরবিটাল অসম্ভব।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, ও যৌগ দুটি যথাক্রমে ও । এদের মধ্যে পোলার দ্রাবকে অধিক দ্রবীভূত হবে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
ফাজানের নীতি অনুসারে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের চার্জ সংখ্যা যত বেশি হবে যৌগে তত বেশি পোলারায়ন ঘটবে। আর যত বেশি পোলারায়ন হবে আয়নিক যৌগে তত বেশি সমযোজী বৈশিষ্ট্য লাভ করবে। ও যৌগ দুটিতে অ্যানায়নের চার্জ সমান হলেও (Fe এর চার্জ + 2) অপেক্ষা (Fe এর চার্জ + 3) যৌগে ক্যাটায়নের চার্জ বেশি। চার্জ বেশি হওয়ার দরুন যৌগে পোলারায়ন মাত্রা অধিক হয় এবং অধিক পোলারায়নের কারণে এর সমযোজী বৈশিষ্ট্য অপেক্ষা বেশি। জানা আছে, সমযোজী যৌগগুলো পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয় বা কম দ্রবণীয়। যেহেতু যৌগে সমযোজী বৈশিষ্ট্য কম থাকে তাই এ যৌগটি পোলার দ্রাবকে অধিক দ্রবণীয়। অপরপক্ষে যৌগে সমযোজী ধর্ম বেশি থাকায় এটি পোলার দ্রাবকে কম দ্রবীভূত হয়।
উদ্দীপকের X, Y ও Z মৌল তিনটি যথাক্রমে Fe(26), Zn(30) ও Cl(17)। এদের মধ্যে CI মৌলটি P ব্লকের ও Zn মৌলটি অবস্থান্তর নয় বলে কেবল Fe(26) রঙিন যৌগ গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
Fe(26) এর এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
Fe(26) অবস্থান্তর ধাতু ও এর আয়নে অপূর্ণ d অরবিটাল থাকে বলেই এরা রঙিন হয়। অবস্থান্তর ধাতুর অর্ধপূর্ণ d-অরবিটালসমূহের শক্তি সমান হলে একে ডিজেনারেট অবস্থা বলে। কিন্তু যৌগ গঠনকালে লিগ্যান্ডের অরবিটাল ধাতুর -অরবিটালের কাছাকাছি আসলে d-অরবিটালের শক্তির সামান্য ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী পার্থক্য ঘটে। একে নন-ডিজেনারেট অবস্থা বলে।
সুতরাং যৌগের দ্রবণে আলো পড়লে d-ইলেকট্রন দৃশ্যমান অঞ্চলের আলো-শোষণ করে কাছাকাছি শক্তির অপর d-অরবিটালে স্থানান্তরিত হয়। যে বর্ণের আলোক শোষণ করে তার সম্পূরক বর্ণের আলো দৃশ্যমান হয়। এভাবে Fe রঙিন যৌগ গঠন করে।