A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘নিজেকে প্রকাশ করার…’ কমার্স কলেজ; ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ গদ্য🧩 অধ্যায় ৬ষ্ঠ অধ্যায় — সাহিত্যে খেলা🔢 সৃজনশীল নং ১১🏢 প্রতিষ্ঠান কমার্স কলেজ; ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

নিজেকে প্রকাশ করার আগ্রহ মানুষের চিরকালের। হৃদয়ের ভিতরকার অনুভূতিগুলো নানা উদ্দীপনায়, অনুকরণগুলো নানা মাধ্যমে সাজিয়ে সুন্দর করে প্রকাশ করার এই ব্যাপারটি পরিচিতি পেয়েছে শিল্পকলা নামে। মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ, নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৬

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ।

➤ খেলাধুলায় যেমন নিছক আনন্দই প্রধান, সাহিত্যেও তাই। খেলাধুলায় যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, সাহিত্যের উদ্দেশ্যও তেমনই- একমাত্র আনন্দদান করা। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত। মনোরঞ্জন করার মধ্যে কোনো একটা কৃত্রিম প্রয়াস বা বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে। 

সারকথা: মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ অনুচ্ছেদের বক্তব্যটি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে আনন্দদানের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

➤ সাহিত্যের জগৎ নিছক আনন্দের জগৎ। মানুষ স্বেচ্ছায় ও আনন্দে এ জগতে বিচরণ করে। একমাত্র আনন্দের জন্যই সাহিত্য রচনা করা উচিত। সাহিত্যিক নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দ দেওয়ার জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন।

➤ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নিজেকে প্রকাশ করার আগ্রহ মানুষের চিরকালের। হৃদয়ের ভিতরকার অনুভূতিগুলো নানা উদ্দীপনায়, অনুকরণগুলো নানা মাধ্যমে সাজিয়ে সুন্দর করে প্রকাশ করার এই ব্যাপারটি পরিচিতি পেয়েছে শিল্পকলা নামে। এই শিল্পকলার প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দদান করা। এই বক্তব্যটি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দদান করা। সাহিত্যিকরা নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দের সাগরে ভাসানোর জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন। প্রমথ চৌধুরী এই আনন্দদানের বিষয়টিকেই সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। 

সারকথা: শিল্পীরা নানামাত্রিক শিল্পকলার জন্ম দেন আনন্দ পাওয়ার জন্য, অন্যকিছুর জন্য নয়। তেমনই সাহিত্যিকরা নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দদান করার জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

➤ "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- বক্তব্যটি উদ্দীপকটিতে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।

➤ শিল্প-সাহিত্য হচ্ছে এক ধরনের খেলা। খেলার উদ্দেশ্য যেমন নিছক আনন্দদান তেমনই সাহিত্যের উদ্দেশ্যও নির্ভেজাল আনন্দদান, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। শিল্পীরা বিভিন্ন শিল্প সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেরা যেমন আনন্দ পান, তেমনই অন্যদেরকে আনন্দ দিয়ে থাকেন।

➤ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়। উদ্দীপকের এই বক্তব্যটি 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন" তা এই চরণে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ শিল্পীরা শিল্পের খেলা খেলেন নিজে এবং অন্যকে আনন্দ দেওয়ার জন্য।

➤ সাহিত্যকে তথা শিল্পকে খেলার সঙ্গে তুলনার জন্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক রোদ্যার প্রসঙ্গ টেনেছেন। এতে শিল্প- সাহিত্যের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হয়েছে। কাদামাটি দিয়ে পুতুল তৈরি করে তিনি নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন তেমনই অন্যকেও আনন্দদান করেছেন। শুধু রোদ্যা নন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃত শিল্পী মাত্রেই এই খেলা খেলে থাকেন। যার সম্পূর্ণ প্রতিফলন উদ্দীপকে দেখতে পাই। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি আমার কাছে যথার্থ। 

সারকথা: শিল্পীরা নানা শিল্পের খেলা করে নিজে যেমন আনন্দ পান তেষনই অন্যদেরকে আনন্দদান করেন। উদ্দীপকের এই বিষয়টি প্রবন্দের প্রতিফলিত হয়েছে। রোদ্যা কাদামাটির শিল্প তৈরি করে নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন, তেমনই অন্যদেরকেও আনন্দদান করেছেন। পৃথিবীর সব শিল্পীই এই কাজটি করে থাকেন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘নিজেকে প্রকাশ করার…’ কমার্স কলেজ; ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ – সাহিত্যে খেলা, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”